১২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরম লোকবল সংকটে পড়েছে কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

চরম লোকবল সংকটে পড়েছে কুলাউড়া
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। ১৭ টি পদ থাকলেও মাত্র ৪জন কর্মকর্তা
কর্মচারী নিয়ে খুড়িয়ে চলছে ওই অফিসটি। দীর্ঘ ১ যুগ থেকে লোকবল
সংকটের কারনে শিক্ষাব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে,
শিক্ষা অফিসার ১জন, সহকারী শিক্ষা অফিসার ৯জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন,
অফিস সহকারী ৪জন, হিসাব সহকারী ১জন ও পিয়ন ১ জনসহ এই ১৭ জনের পদ
থাকলেও বর্তমানে ১জন শিক্ষা অফিসার, ২জন সহকারী শিক্ষা অফিসার ও ১জন
অফিস সহকারীসহ ৪জন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মোট ১৩টি পদ শূন্য
রয়েছে। কুলাউড়া উপজেলায় ১৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ১৯৩ টি সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, এছাড়াও রয়েছে চা-বাগান ও কেজি স্কুলসহ ১৪০টি।
এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সঠিকভাবে চালাতে শিক্ষা অফিস হিমশিম খাচ্ছে।
স্কুল পরিদর্শন, উপবৃত্তি কার্যক্রম, বই বিতরণ ও ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার মান উন্নয়নে
দারুন ব্যঘাত হচ্ছে।
এব্যাপারে শিক্ষানুরাগী আব্দুল মালিক ও জব্বার মিয়া বলেন, উপজেলার ১৯৩টি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস্টার ট্রেইনিং, স্কুল তদারকিসহ নানা কাজ কর্ম ৩ জন
অফিসার দিয়ে চালানো কোনভাবে সম্ভব নয়। লোকবল সংকট নিরসন জরুরী হয়ে
পড়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইফতেখায়ের হোসেন ভূঁইয়া বলেন, লোকবল
সংকটের কারনে কুলাউড়া শিক্ষাব্যবস্থা খুবই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। মাত্র ৩জন অফিসার
নিয়ে এই বৃহৎ উপজেলার ১৯৩ টি স্কুলের ১১৮২জন শিক্ষক ও সরকারি, বেসরকারি
স্কুলের ৬০ হাজার শিক্ষার্থীদের দেখবাল করতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে তিতুমীর কলেজে সরস্বতী পূজা উদযাপন

চরম লোকবল সংকটে পড়েছে কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

চরম লোকবল সংকটে পড়েছে কুলাউড়া
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। ১৭ টি পদ থাকলেও মাত্র ৪জন কর্মকর্তা
কর্মচারী নিয়ে খুড়িয়ে চলছে ওই অফিসটি। দীর্ঘ ১ যুগ থেকে লোকবল
সংকটের কারনে শিক্ষাব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে,
শিক্ষা অফিসার ১জন, সহকারী শিক্ষা অফিসার ৯জন, উচ্চমান সহকারী ১ জন,
অফিস সহকারী ৪জন, হিসাব সহকারী ১জন ও পিয়ন ১ জনসহ এই ১৭ জনের পদ
থাকলেও বর্তমানে ১জন শিক্ষা অফিসার, ২জন সহকারী শিক্ষা অফিসার ও ১জন
অফিস সহকারীসহ ৪জন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মোট ১৩টি পদ শূন্য
রয়েছে। কুলাউড়া উপজেলায় ১৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ১৯৩ টি সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, এছাড়াও রয়েছে চা-বাগান ও কেজি স্কুলসহ ১৪০টি।
এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সঠিকভাবে চালাতে শিক্ষা অফিস হিমশিম খাচ্ছে।
স্কুল পরিদর্শন, উপবৃত্তি কার্যক্রম, বই বিতরণ ও ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার মান উন্নয়নে
দারুন ব্যঘাত হচ্ছে।
এব্যাপারে শিক্ষানুরাগী আব্দুল মালিক ও জব্বার মিয়া বলেন, উপজেলার ১৯৩টি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস্টার ট্রেইনিং, স্কুল তদারকিসহ নানা কাজ কর্ম ৩ জন
অফিসার দিয়ে চালানো কোনভাবে সম্ভব নয়। লোকবল সংকট নিরসন জরুরী হয়ে
পড়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইফতেখায়ের হোসেন ভূঁইয়া বলেন, লোকবল
সংকটের কারনে কুলাউড়া শিক্ষাব্যবস্থা খুবই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। মাত্র ৩জন অফিসার
নিয়ে এই বৃহৎ উপজেলার ১৯৩ টি স্কুলের ১১৮২জন শিক্ষক ও সরকারি, বেসরকারি
স্কুলের ৬০ হাজার শিক্ষার্থীদের দেখবাল করতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।