০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোর উপশহরে টিসিবির পণ্য ভাগাভাগি

যশোর সদর উপজেলার উপশহর ইউনিয়নে  টিসিবির পণ্য ভাগাভাগির অভিযোগ উঠেছে।  ৯১৭ কার্ডের মধ্যে বিএনপি,জামায়াত ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা মিলে ৪৬০ টি কার্ডের পণ্য
ভাগ করে নেয়। এই অনিয়মের প্রতিবাদে কার্ডধারীরা নিয়ে হট্টগোল করেছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দ্বীপ সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ডিলার উপশহর ইউনিয়নের ৯১৭ জন কার্ড ধারীর মাঝে টিসিবি পণ্য বিতরণের জন্য আসেন। কিন্তু পণ্য বিতরণের আগেই ৪৬০ কার্ডের পণ্য ভাগাভাগি হয়ে যায়।
এরমধ্যে বিএনপি ৩০০, জামায়াত ১০০ ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা ৬০ টি কার্ডের পণ্য নেন। এতে কার্ডধারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে হট্টগোলে জড়িয়ে পড়ে। খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। এসময় তিনি প্রকৃত কার্ড ধারীকে টিসিবি পণ্য দেয়ার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা পরিষদে এসে পণ্য বিতরণ বন্ধ করে দেন। পরে মাইকিং করে পণ্য বিতরণের দিন জানিয়ে দেয়া হবে বলে তাদের পাঠিয়ে দেন।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এর আগে কার্ডধারীরা উপশহর বিএনপির সভাপতি আলী হোসেনের স্বাক্ষরিত  তালিকায় থাকা মানুষের মাঝে পণ্য বিতরণের প্রতিবাদ করলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
উপশহর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন জানিয়েছেন, টিসবির পণ্য ভাগাভাগির অভিযোগ মিথ্যা। ৪৬৮ টি স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে। তারা স্মার্ট কার্ড এখনো তারা হাতে পাননি। কার্ড নিয়ে আসলে রেখে দেয়া পণ্য তাদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানিয়েছেন, টিসিবির পণ্য লুট বা ভাগাভাগি করে নেয়ার খবর শুনে উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোন
সত্যতা মেলেনি। সেখানে এই ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি।
জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে তিতুমীর কলেজে সরস্বতী পূজা উদযাপন

যশোর উপশহরে টিসিবির পণ্য ভাগাভাগি

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
যশোর সদর উপজেলার উপশহর ইউনিয়নে  টিসিবির পণ্য ভাগাভাগির অভিযোগ উঠেছে।  ৯১৭ কার্ডের মধ্যে বিএনপি,জামায়াত ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা মিলে ৪৬০ টি কার্ডের পণ্য
ভাগ করে নেয়। এই অনিয়মের প্রতিবাদে কার্ডধারীরা নিয়ে হট্টগোল করেছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দ্বীপ সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ডিলার উপশহর ইউনিয়নের ৯১৭ জন কার্ড ধারীর মাঝে টিসিবি পণ্য বিতরণের জন্য আসেন। কিন্তু পণ্য বিতরণের আগেই ৪৬০ কার্ডের পণ্য ভাগাভাগি হয়ে যায়।
এরমধ্যে বিএনপি ৩০০, জামায়াত ১০০ ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা ৬০ টি কার্ডের পণ্য নেন। এতে কার্ডধারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে হট্টগোলে জড়িয়ে পড়ে। খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। এসময় তিনি প্রকৃত কার্ড ধারীকে টিসিবি পণ্য দেয়ার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা পরিষদে এসে পণ্য বিতরণ বন্ধ করে দেন। পরে মাইকিং করে পণ্য বিতরণের দিন জানিয়ে দেয়া হবে বলে তাদের পাঠিয়ে দেন।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এর আগে কার্ডধারীরা উপশহর বিএনপির সভাপতি আলী হোসেনের স্বাক্ষরিত  তালিকায় থাকা মানুষের মাঝে পণ্য বিতরণের প্রতিবাদ করলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
উপশহর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন জানিয়েছেন, টিসবির পণ্য ভাগাভাগির অভিযোগ মিথ্যা। ৪৬৮ টি স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে। তারা স্মার্ট কার্ড এখনো তারা হাতে পাননি। কার্ড নিয়ে আসলে রেখে দেয়া পণ্য তাদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানিয়েছেন, টিসিবির পণ্য লুট বা ভাগাভাগি করে নেয়ার খবর শুনে উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোন
সত্যতা মেলেনি। সেখানে এই ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি।