কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার মেরিন ড্রাইভে টেকনাফ থানা পুলিশের চেকপোস্টে গত ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। নিহতের ঘটনারস্থলেই সাড়ে চার বছর পর নির্মাণ করা হয় স্মৃতিফলকটি।
২৭ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, বিকেলে মেরিন ড্রাইভে মেজর সিনহা স্মৃতিফলকটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার- উজ- জামান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ -বিজিবি’র প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী ও পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসসহ সেনা, বিজিবি এবং র্যাবের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত ৯ টায় কক্সবাজার-টেকনাফে মেরিনড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হন।
তিনি ২১ জুলাই ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ৫১তম বিএমএ লং কোর্সে যোগদান করেন। পরবর্তীতে, ২২ ডিসেম্বর ২০০৪ সালে কমিশন লাভ করেন। চাকুরী জীবনে তিনি অত্যন্ত দক্ষ, বিচক্ষণ, উদ্ভাবনশীল ও চৌকস সেনা অফিসার ছিলেন। তিনি একজন দক্ষ যোদ্ধা এবং স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এর সদস্য ছিলেন। এছাড়াও ২০১৩ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আইভোরিকোস্টে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন। চাকরিজীবনে অসম্ভব মেধাবী ও বিচক্ষণ অফিসার ছিলেন সিনহা, তার বাবা অর্থমন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ এরশাদ খান। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সিনহা ছিলেন তৃতীয়। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে।
মেজর সিনহা নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘জাস্ট গো’র শুটিং করতে কক্সবাজারে অবস্থান করছিলেন।
























