১২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে গণহত্যা দিবস পালন

যথাযোগ্য মর্যাদায় খাগড়াছড়িতে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর
সম্মেলন কক্ষে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নিহতদের স্বরণে বিশেষ প্রার্থণা ও স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর পরিচালক ঞ্যোহ্লামং সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন প্রশিক্ষক অমলেন্দু মজুমদার, অরুণ শর্মা, উত্তমা খীসা, গনমাধ্যম কর্মী হলাপ্রু মারমা।
এসময় সংঙ্গীত শিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী, নাট্য শিল্পী, নৃত্য শিল্পী বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশকে ভালোবাসতে হবে দেশ প্রেম চেতনা জাগ্রতবোধ সৃষ্টি করতে হবে নিজেদের মনে।   ২৫ মার্চ রাতের গণহত্যার ভয়াবহতা ছিলো ভয়ংকর। একটি জাতি সত্তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার নীল নকশা ছিল এটি।  ৭১ এরমুক্তযিোদ্ধা কালীন হত্যা করা হয়ছেে শিশু, যুবক-যুবতী, নারী-পুরুষ, কৃষক কৃষানী, কবি-সাহিত্যক, সাংবাদিক , বুদ্ধিজীবী ও গুনীমানুষ জনকে। কিন্তু পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এ অপতৎপরতা সফল হয়নি। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশ এগিয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেলে থাকা ২ বন্ধুর

খাগড়াছড়িতে গণহত্যা দিবস পালন

আপডেট সময় : ০৭:৩২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

যথাযোগ্য মর্যাদায় খাগড়াছড়িতে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর
সম্মেলন কক্ষে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নিহতদের স্বরণে বিশেষ প্রার্থণা ও স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর পরিচালক ঞ্যোহ্লামং সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন প্রশিক্ষক অমলেন্দু মজুমদার, অরুণ শর্মা, উত্তমা খীসা, গনমাধ্যম কর্মী হলাপ্রু মারমা।
এসময় সংঙ্গীত শিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী, নাট্য শিল্পী, নৃত্য শিল্পী বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশকে ভালোবাসতে হবে দেশ প্রেম চেতনা জাগ্রতবোধ সৃষ্টি করতে হবে নিজেদের মনে।   ২৫ মার্চ রাতের গণহত্যার ভয়াবহতা ছিলো ভয়ংকর। একটি জাতি সত্তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার নীল নকশা ছিল এটি।  ৭১ এরমুক্তযিোদ্ধা কালীন হত্যা করা হয়ছেে শিশু, যুবক-যুবতী, নারী-পুরুষ, কৃষক কৃষানী, কবি-সাহিত্যক, সাংবাদিক , বুদ্ধিজীবী ও গুনীমানুষ জনকে। কিন্তু পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এ অপতৎপরতা সফল হয়নি। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশ এগিয়ে যাবে।