০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিন অফিসে ফাইল নেই বদলগাছীর নহেলা কাষ্টগাড়ী আশ্রায়ন প্রকল্পের ৮০টি ঘরের টিন লুট পাট

বদলগাছীর নহেলা কাষ্টগাড়ী আশ্রায়ন প্রকল্পে ১৬ টি সেডের ৮০টি ঘড়ের শুধু ছাউনির ১হাজার ২৪ টি টিন বৈষাখী ঝড়ে উরে যাবার পর টিনগুলো হরিলুট করা হলেও নেই কোন ব্যবস্থা। অথাৎ প্রকল্পটি সার্বিক তথ্যাদির ফাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই বলে তিনটি অফিস সুত্রে জানা গেছে। ২০২৩ সালে ১৬টি সেডে ৮০টি ঘর নির্মানের পর ঘরগুলো নিদ্ধারিত ব্যক্তিদের নিকট হস্তান্তর করার পুর্বেই কাল বৈশাখীর ঝড়ে ৮০টি ঘরের উপরের ছাউনি টিন উড়ে আশপাশের পুকুর সহ বিভিন্ন স্থানে পরে। সরেজমিন তদন্তকালে পূর্বের নির্মিত আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দা, আকলিমা, উমিছা, বেলী, ফেন্সি সহ কতিপয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিটি সেডে ৫টি পরিবারের জন্য ৫টি করে ঘর নির্মান করে প্রতি সেডে শুধু ছাউনিতে ৬৪টি করে টিন ছিল। তারা আরও বলেন মথুরাপুর ইউনিয়নের তৎকালিন আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান (বর্তমানে পলাতক) মাসুদ রানা কিছু টিন নিয়ে গেলেও বাকী টিন এবং ঘরের চার দিকে বেড়ার টিন ও কাঠের বাটাম রাতের আধারে কে বা কাহারা খুলে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও তারা জানান হরিলুটের মতো টিন গুলো লুট করা হলেও প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই। প্রকল্পটির বরাদ্দসহ সার্বিক তথ্যাবলি এবং টিন গুলো লুট পাট হয়ে যাওয়ার তথ্য জানান জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো মনিরুজ্জানের কার্যালয়ে এবং সহকারী কামিশনার ( ভূমি) মোছাঃ আতিয়া খাতুনের কার্যালয়ে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনির কর্যালয়ে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা তিন জনেই বলেন উপরোল্লিখিত ঘর নির্মান বিষয়ের কোন ফাইল তাদের কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই।তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন লুট হয়ে যাওয়া টিনগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জবির সাবেক ভিসি মীজানুর রহমানকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

তিন অফিসে ফাইল নেই বদলগাছীর নহেলা কাষ্টগাড়ী আশ্রায়ন প্রকল্পের ৮০টি ঘরের টিন লুট পাট

আপডেট সময় : ০৪:২০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

বদলগাছীর নহেলা কাষ্টগাড়ী আশ্রায়ন প্রকল্পে ১৬ টি সেডের ৮০টি ঘড়ের শুধু ছাউনির ১হাজার ২৪ টি টিন বৈষাখী ঝড়ে উরে যাবার পর টিনগুলো হরিলুট করা হলেও নেই কোন ব্যবস্থা। অথাৎ প্রকল্পটি সার্বিক তথ্যাদির ফাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই বলে তিনটি অফিস সুত্রে জানা গেছে। ২০২৩ সালে ১৬টি সেডে ৮০টি ঘর নির্মানের পর ঘরগুলো নিদ্ধারিত ব্যক্তিদের নিকট হস্তান্তর করার পুর্বেই কাল বৈশাখীর ঝড়ে ৮০টি ঘরের উপরের ছাউনি টিন উড়ে আশপাশের পুকুর সহ বিভিন্ন স্থানে পরে। সরেজমিন তদন্তকালে পূর্বের নির্মিত আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দা, আকলিমা, উমিছা, বেলী, ফেন্সি সহ কতিপয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিটি সেডে ৫টি পরিবারের জন্য ৫টি করে ঘর নির্মান করে প্রতি সেডে শুধু ছাউনিতে ৬৪টি করে টিন ছিল। তারা আরও বলেন মথুরাপুর ইউনিয়নের তৎকালিন আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান (বর্তমানে পলাতক) মাসুদ রানা কিছু টিন নিয়ে গেলেও বাকী টিন এবং ঘরের চার দিকে বেড়ার টিন ও কাঠের বাটাম রাতের আধারে কে বা কাহারা খুলে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও তারা জানান হরিলুটের মতো টিন গুলো লুট করা হলেও প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই। প্রকল্পটির বরাদ্দসহ সার্বিক তথ্যাবলি এবং টিন গুলো লুট পাট হয়ে যাওয়ার তথ্য জানান জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো মনিরুজ্জানের কার্যালয়ে এবং সহকারী কামিশনার ( ভূমি) মোছাঃ আতিয়া খাতুনের কার্যালয়ে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনির কর্যালয়ে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা তিন জনেই বলেন উপরোল্লিখিত ঘর নির্মান বিষয়ের কোন ফাইল তাদের কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই।তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন লুট হয়ে যাওয়া টিনগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।