চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অতীশ দীপঙ্কর হল উদ্বোধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৩ মে) দুপুরে হল মিলনায়তনে এটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার।
হল প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. জি. এম. নিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আল-আমীন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী প্রমুখ।
অতীশ দীপঙ্কর হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. জি. এম. নিয়াজ উদ্দিন বলেন, ২০১৫-১৬ সালে এই হলের ভিত্তিপ্রস্তর করা হয় এবং ২০১৮ সালে হলে ছাত্র উঠানোর কথা ছিল কিন্তু গত ১২ বছরে তা সম্ভব হয়নি। আমি গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি হলে ছাত্র উঠানোর জন্য। আজকে আমরা সফল হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রকৌশল দপ্তর সহযোগীতায় আমরা হলে ছাত্র উঠাতে পেরেছি। তবে হলে রিডিং রুম ও ডাইনিং অনেক ছোট। এইগুলো বড় করার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি পাশে খেলার মাঠ ও নিরাপত্তা চৌকি বসানো জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করছি।
চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, এই হল চালু করার পূর্বে মেরামত করতে হয়েছে। এই হল ভিত্তিপ্রস্তর থেকে চালু করতে ১২ বছর সময় লেগেছে। চারজন হলের প্রভোস্টের দায়িত্ব পালন করার পরও তারা হল চালু করতে পারিনি। এটা আমাদের জন্য লজ্জা।
উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এটি পূর্ণ আবাসিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নিজস্ব রাস্তা করার কথা উল্লেখ ছিলো কিন্তু সেটা এখনো পূরণ হয়নি। আমরা প্রশাসনের নিকট দাবি করছি, আপনারা এই দুইটি দাবি পূরণে সরকারকে অনুরোধ করবেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ১ হাজার শিক্ষার্থী নতুন দুই হলে উঠাতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয় হলো একটি ছোট পৃথিবী। আমাদের তো এখন বিদেশি ছাত্র কমে গেছে। আমরা এখন সেটি ধরে রাখতে পারছি না। তবে আমাদের সেই দিকে নজর দিতে হবে। একটি ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলে সেই দেশের বিভিন্ন সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হবে। আমরা রাতারাতি সব শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন সুবিধা দিতে পারছি না। তবে আমরা আরও বেশ কয়েকটি হল নির্মাণের জন্য সরকারের সাথে আলোচনা করছি।
























