০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রস্তুতি। শরৎকালের কাশফুলের মতোই পূজোর আগমনী বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে নগরজুড়ে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হবে দেবীপক্ষ, আর ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীর বোধনে মর্ত্যে আসবেন দেবী দুর্গা। এরই মধ্যে নগরের পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জার কাজ, আর প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।

সদরঘাট, এনায়েতবাজার, আগ্রাবাদ, হাজারীলেন, রাজাপুর লেন, চকবাজার ও কাট্টলী এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। রঙ-তুলির আঁচড়ে শৈল্পিক কারুকার্যে ফুটে উঠছে দেবী দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, কার্তিক, গণেশসহ অন্যান্য দেব-দেবীর প্রতিমা।

এনায়েতবাজার গোয়ালপাড়ায় মৃৎশিল্পী বিশ্বজিত পাল বলেন, “আষাঢ় মাস থেকেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেছি। বাঁশ, কাঠ, খড়, সূতলি ও মাটি দিয়ে কাঠামো তৈরি করে শুকানোর পর শুরু হয় রঙের কাজ। বর্তমানে সাজসজ্জা ও অলঙ্কার স্থাপনের কাজ বাকি।” তিনি এ বছর ১৪টি পূজামণ্ডপের জন্য প্রতিমা তৈরি করেছেন।

মৃৎশিল্পীরা জানান, মহালয়ার পরদিন থেকে ষষ্ঠীর আগ পর্যন্ত এসব প্রতিমা বিভিন্ন মণ্ডপে পৌঁছানো হবে। এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিমা যাবে নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে, আর কিছু প্রতিমা যাবে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, রাউজান, পটিয়া, কর্ণফুলী ও বোয়ালখালী উপজেলায়।

মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অর্পন কান্তি ব্যানার্জী জানান, এ বছর নগরের ১৬ থানায় ২৯৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি প্রায় শেষ এবং সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, সিটি মেয়র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে।

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হয়ে ২ অক্টোবর দশমীতে বিসর্জন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা

আপডেট সময় : ০৬:২৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রস্তুতি। শরৎকালের কাশফুলের মতোই পূজোর আগমনী বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে নগরজুড়ে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হবে দেবীপক্ষ, আর ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীর বোধনে মর্ত্যে আসবেন দেবী দুর্গা। এরই মধ্যে নগরের পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জার কাজ, আর প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।

সদরঘাট, এনায়েতবাজার, আগ্রাবাদ, হাজারীলেন, রাজাপুর লেন, চকবাজার ও কাট্টলী এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। রঙ-তুলির আঁচড়ে শৈল্পিক কারুকার্যে ফুটে উঠছে দেবী দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, কার্তিক, গণেশসহ অন্যান্য দেব-দেবীর প্রতিমা।

এনায়েতবাজার গোয়ালপাড়ায় মৃৎশিল্পী বিশ্বজিত পাল বলেন, “আষাঢ় মাস থেকেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেছি। বাঁশ, কাঠ, খড়, সূতলি ও মাটি দিয়ে কাঠামো তৈরি করে শুকানোর পর শুরু হয় রঙের কাজ। বর্তমানে সাজসজ্জা ও অলঙ্কার স্থাপনের কাজ বাকি।” তিনি এ বছর ১৪টি পূজামণ্ডপের জন্য প্রতিমা তৈরি করেছেন।

মৃৎশিল্পীরা জানান, মহালয়ার পরদিন থেকে ষষ্ঠীর আগ পর্যন্ত এসব প্রতিমা বিভিন্ন মণ্ডপে পৌঁছানো হবে। এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিমা যাবে নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে, আর কিছু প্রতিমা যাবে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, রাউজান, পটিয়া, কর্ণফুলী ও বোয়ালখালী উপজেলায়।

মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অর্পন কান্তি ব্যানার্জী জানান, এ বছর নগরের ১৬ থানায় ২৯৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি প্রায় শেষ এবং সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, সিটি মেয়র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে।

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হয়ে ২ অক্টোবর দশমীতে বিসর্জন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

এমআর/সবা