শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় এবারের ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। একই সঙ্গে ঈদুল আজহা উপলক্ষে পর্যায়ক্রমে পোশাক কারখানায় ছুটি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার সচিবালয়ে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিয়ে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব মন্ত্রণালয় নিজেদের সক্ষমতার শতভাগ প্রয়োগ করছে। এবার গার্মেন্টস ছুটির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পোশাকশ্রমিকদের তিন থেকে চার দিনে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং মালিকপক্ষও এতে সম্মতি জানিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, গতবার বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর সঙ্গে তিন ধাপে ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। ফলে একদিনেই বিপুলসংখ্যক শ্রমিক রাস্তায় নেমে পড়ায় গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছিল।
ঈদযাত্রায় যাত্রীদের আচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, অনেক যাত্রী দ্রুত বাড়ি ফিরতে বাস-ট্রাক-পিকআপসহ যেকোনো যানবাহনে উঠতে চেষ্টা করেন। এতে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে, পাশাপাশি ভাড়া নিয়ন্ত্রণও কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি জানান, ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে এবার ৬৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, বৃষ্টি হলে যানজটের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। বিশেষ করে পশুবাহী যানবাহনের কারণে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। গতবারের ঝড়-বৃষ্টির অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি এবার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে রাস্তার মাঝপথ থেকে যাত্রী উঠলে ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়। তারপরও ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফেরি পারাপার নিয়ে তিনি জানান, যাত্রী নামিয়ে তবেই বাস ফেরিতে উঠতে দেওয়া হবে। এজন্য ব্যারিকেড বসানো হবে। এছাড়া সদরঘাট এলাকায় বোট বা স্পিডবোট থেকে সরাসরি লঞ্চে ওঠাও বন্ধ রাখা হবে।
সবুজ বাংলা ডিজিটাল রিপোর্ট 























