দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, ইরান কোনো বাড়তি সুবিধা চায়নি; বরং তারা কেবল নিজেদের বৈধ অধিকারগুলোই দাবি করেছে।
তিনি জানান, ইরানের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে—পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া।
অন্যদিকে, ইরানের এই অবস্থানকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এটিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।
পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্দেশে বাঘাই বলেন, এমন কোনো সংকটে না জড়াতে, যা কোনো পক্ষের জন্যই সুফল বয়ে আনবে না। তার মতে, এই অঞ্চলে হস্তক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।
এদিকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই জোট কার্যকর করা হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
শু/সবা
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























