বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে গত মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ঈদুল আজহা উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন অপরাধ দমন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার আসামি অন্য একজনের নাম বলার চেষ্টা করেছে বলে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তা বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে করা হতে পারে বলে তাদের ধারণা। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাদের বাইরে আর কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, আলোচিত এই মামলায় ঘটনার মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার রুজুর ছয় দিনের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার জানান, ঈদুল আজহার সময় রাজধানীতে বড় ধরনের কোনো নাশকতা বা অস্থিতিশীলতা হয়নি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। তিনি বলেন, গত এক মাসে ডিএমপির অভিযানে চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়সহ মোট ২ হাজার ৮৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সাইবার অপরাধ দমনেও অভিযান চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই প্রতিরোধে ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এ সময় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া মামলা ও জরিমানার নামে প্রতারণা প্রসঙ্গে সতর্ক করে তিনি বলেন, এ ধরনের ফিশিং লিংক থেকে নাগরিকদের সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করার আহ্বান জানান তিনি।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 




















