বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কাগজের জন্মসনদের পরিবর্তে অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন রেকর্ড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে ‘বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সপ্তম বৈঠকে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত-এর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, UNICEF ও UNFPA-এর কারিগরি সহায়তায় বর্তমানে আইনের সংশোধিত খসড়া প্রণয়নের কাজ চলছে। নতুন আইনে ‘বিশেষ পরিস্থিতি’র সুযোগ নিয়ে বাল্যবিয়ে দেওয়ার বিদ্যমান আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন রেকর্ড ব্যবহার করা হলে জাল জন্মসনদ তৈরি করে অপ্রাপ্তবয়স্ক বর-কনের প্রকৃত বয়স গোপন করার প্রবণতা কমে আসবে।
প্রশ্নের ব্যাখ্যায় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত বলেন, UNICEF-এর গ্লোবাল চাইল্ড ম্যারেজ ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশে এখনো বাল্যবিয়ের হার উদ্বেগজনকভাবে বেশি। আইনি দুর্বলতা এবং জন্ম নিবন্ধনের জালিয়াতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও বাল্যবিয়ে সংঘটিত হচ্ছে।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় রীতি অনুসারে অনেক বিয়ে আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন ছাড়াই সম্পন্ন হওয়ায় মাঠপর্যায়ে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বাল্যবিয়ে নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 
























