০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি, সব স্কুল বন্ধ

চুয়াডাঙ্গায় এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ।  হাড় কাপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ, ব্যহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এদিকে, তীব্র শীতে আজ জেলার সকল মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সুত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন রাত ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এক দিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, আজ সকাল ৬টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ। আর সকাল ৯টায় রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারি এ জেলার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।
এদিকে, তীব্র শীত ও মাঝারি শৈত্য প্রবাহে চুয়াডাঙ্গার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। তবে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে খোলা রয়েছে কিন্ডারগার্টেন ও প্রি-ক্যাডেট স্কুল।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তবিবুর রহমান জানান, গত সোমবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের সাথে কথা বলে তাপমাত্রা আরো কমার পূর্বাভাস পাওয়ায় খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নির্দেশে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় আজ বন্ধ রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, তীব্র শীতের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাবেন।

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি, সব স্কুল বন্ধ

আপডেট সময় : ১১:৪৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪
চুয়াডাঙ্গায় এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ।  হাড় কাপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ, ব্যহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এদিকে, তীব্র শীতে আজ জেলার সকল মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সুত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন রাত ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এক দিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, আজ সকাল ৬টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ। আর সকাল ৯টায় রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারি এ জেলার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।
এদিকে, তীব্র শীত ও মাঝারি শৈত্য প্রবাহে চুয়াডাঙ্গার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। তবে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে খোলা রয়েছে কিন্ডারগার্টেন ও প্রি-ক্যাডেট স্কুল।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তবিবুর রহমান জানান, গত সোমবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের সাথে কথা বলে তাপমাত্রা আরো কমার পূর্বাভাস পাওয়ায় খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নির্দেশে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় আজ বন্ধ রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, তীব্র শীতের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাবেন।