দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান। দীর্ঘ সময় তার কারাবাসের মধ্যে ঘটে গেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
দেশটিতে জাতীয় নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন সরকারও গঠিত হয়েছে পাকিস্তানে। এমন পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান ও গোয়েন্দাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের কথা জানিয়েছে তার দল। পাকিস্তানের রাজনীতি বরাবরই নাটকীয়তায় ঠাসা। নির্বাচনের পর সেনাপ্রধান ও গোয়েন্দাপ্রধানের সঙ্গে পিটিআইয়ের বৈঠকের ফলে উঁকি দিচ্ছে নানা প্রশ্ন। এমনকি জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে ইমরান খানের মুক্তি নিয়ে।
গত শুক্রবার পাকিস্তানের জিও নিউজের এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা আনার উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে পিটিআইয়ের সিনিয়র নেতা শাহরিয়ার আফ্রিদি জানান, তার দল শিগগিরই সেনাপ্রধান ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করবে। তবে গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না।
পাকিস্তানের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল পিএমএল-এনের নেতৃত্বাধীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করে শাহরিয়ার আফ্রিদি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাখ্যান করা একদল লোকের মাধ্যমে গঠিত। দূর থেকে অন্য কেউ তাদের নিয়ন্ত্রণ করে। তারা ফরম ৪৭-এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও তাদের সমর্থন দিয়েছে। দেশবাসী যাদের প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের সঙ্গে সংলাপে বসে কোনো লাভ নেই।
ইমরান খান কোনো এনআরও (দায়মুক্তি) চান না। আমরা পাকিস্তারেন উন্নতির জন্য সংলাপ চাই। পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান দেশের ভালোর জন্য সব অংশীজনের সঙ্গে বসতে চান। তবে তিনি কোনো সাড়া পাননি। তার দল শিগগিরই সেনাপ্রধান ও গোয়েন্দাপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। এছাড়া ইমরান খানের মুক্তি নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হবে কি না তাও জানাননি।

























