০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে এগারোসিন্দুর হিমাগারে ২৮ লাখ পিস ডিম মজুত,দ্রুত বিক্রির নির্দেশ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার এগারসিন্দুর কোল্ড স্টোরে মজুত রয়েছে ২৮ লক্ষ পিস ডিম।এমন খবরে রবিবার (৫ মে) উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী এলাকায় অবস্থিত এগারসিন্দুর কোল্ড স্টোরেজে অভিযান পরিচালনা করে এর সত্যতা মিলে।
ভোক্তা অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জ অফিসের সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বণিক অভিযান পরিচালনাকালে জানান,ডিমের বাজার অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীরা জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের এগারোসিন্দুর কোল্ড স্টোরেজে মজুদ করে আসছিল।এমন খবরে এ কোল্ড স্টোরেজে অভিযান পরিচালনা করে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। ডিম যাতে দ্রুতই বাজারজাত করা হয় এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।অন্যতায় কোল্ড স্টোরেজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ কোল্ড স্টোরেজে জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুরের জয়নাল মিয়া আড়াই লাখ পিস ডিম মজুদ রেখেছেন। এছাড়াও রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মোঃ ইউনুস মিয়ার ৬৬ হাজার ডিম মজুদ রয়েছে।
কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আলতাফ হোসেন জানান, আমাদের কোল্ড স্টোরেজে কিশোরগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২৮ লাখ পিস ডিম মজুদ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। আজকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর আমাদের নির্দেশ দিয়েছে দ্রুতই ডিম ব্যবসায়ীরা যাতে নিয়ে যায় সেই ব্যবস্থা করার জন্য। আমরাও দ্রুতই ব্যবসায়ীদের ডিম কোল্ড স্টোরেজ থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিয়ে সমালোচনা, ব্যাখ্যা দিল প্রেস উইং

কিশোরগঞ্জে এগারোসিন্দুর হিমাগারে ২৮ লাখ পিস ডিম মজুত,দ্রুত বিক্রির নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার এগারসিন্দুর কোল্ড স্টোরে মজুত রয়েছে ২৮ লক্ষ পিস ডিম।এমন খবরে রবিবার (৫ মে) উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী এলাকায় অবস্থিত এগারসিন্দুর কোল্ড স্টোরেজে অভিযান পরিচালনা করে এর সত্যতা মিলে।
ভোক্তা অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জ অফিসের সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বণিক অভিযান পরিচালনাকালে জানান,ডিমের বাজার অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীরা জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের এগারোসিন্দুর কোল্ড স্টোরেজে মজুদ করে আসছিল।এমন খবরে এ কোল্ড স্টোরেজে অভিযান পরিচালনা করে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। ডিম যাতে দ্রুতই বাজারজাত করা হয় এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।অন্যতায় কোল্ড স্টোরেজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ কোল্ড স্টোরেজে জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুরের জয়নাল মিয়া আড়াই লাখ পিস ডিম মজুদ রেখেছেন। এছাড়াও রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মোঃ ইউনুস মিয়ার ৬৬ হাজার ডিম মজুদ রয়েছে।
কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আলতাফ হোসেন জানান, আমাদের কোল্ড স্টোরেজে কিশোরগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২৮ লাখ পিস ডিম মজুদ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। আজকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর আমাদের নির্দেশ দিয়েছে দ্রুতই ডিম ব্যবসায়ীরা যাতে নিয়ে যায় সেই ব্যবস্থা করার জন্য। আমরাও দ্রুতই ব্যবসায়ীদের ডিম কোল্ড স্টোরেজ থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছি।