০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আনারস বিক্রিতে চলে কালীগঞ্জের নাসিরের সংসার

বিভিন্ন এলাকা থেকে রসালো আনারস সংগ্রহ করেন মোঃ নাসির  এরপর গাজীপুরের  কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্যান গাড়িতে ঘুরে ঘুরে ফলটি বিক্রি করেন সাধারণ ক্রেতাদের কাছে তিনি। আর এ থেকে তার আয় হয় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। ফল বিক্রির টাকা দিয়েই নাসির তার সংসারের পাশাপাশি চালাচ্ছেন  এক ছেলে ওদুই  মেয়ের পড়ালেখার খরচ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের আব্দুস সামাদের ছেলে মোঃ নাসির (৩৬)।

রবিবার  ( ২৩শে জুন ) সকালে উপজেলা শহরের কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় ভ্যানে করে আনারস বিক্রি করতে দেখা যায় নাসিরকে। এই সময় কথা হলে নাসির বলেন, ‘প্রায় ১৬ বছর ধরে এই আনারস বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছি। বছরের অর্ধেক সময় কালীগঞ্জের বিভিন্নস্থানে ফেরি করে আনারস বিক্রি করি। এই পেশা থেকে যা আয় হয় তা দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালাচ্ছি। একই সঙ্গে ছেলে-মেয়ের পড়ালেখার খরচ চলে। সবমিলিয়ে বেকার না থেকে আনারস বিক্রিকে পেশা হিসেবে নিয়ে অনেক ভালো আছি।’

আনারসের দাম আর বেচা-কেনা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ পিচ আনারস ভ্যানে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিক্রি করি। ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস আনারস বিক্রি করি। এতে খরচ বাদে আয় হয় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।’ নাসিরের কাছে আনারস কিনতে আসা , আবদুল আজিজ বলেন নাসির মাঝে মধ্যেই এই এলাকায় আনারস নিয়ে আসেন। তিনি আমাদের সবার কাছে পরিচিত মুখ। ৩০ টাকা পিস হিসেবে ৪ পিস আনারস কিনলাম।’

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ‘নাসির ভ্যানে করে আনারস বিক্রি করে স্বাচ্ছন্দে সংসার চালাচ্ছেন। বেকার না থেকে এভাবে সিজনাল ফল অথবা সবজি যাবতীয়  জিনিসপত্র নিয়ে ভ্যানে করে বিক্রি করলে অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। চিন্তা ও ভারমুক্ত ভাবে তারা সংসার চালাতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক এম কে রানার স্ত্রী আর নেই

আনারস বিক্রিতে চলে কালীগঞ্জের নাসিরের সংসার

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

বিভিন্ন এলাকা থেকে রসালো আনারস সংগ্রহ করেন মোঃ নাসির  এরপর গাজীপুরের  কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্যান গাড়িতে ঘুরে ঘুরে ফলটি বিক্রি করেন সাধারণ ক্রেতাদের কাছে তিনি। আর এ থেকে তার আয় হয় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। ফল বিক্রির টাকা দিয়েই নাসির তার সংসারের পাশাপাশি চালাচ্ছেন  এক ছেলে ওদুই  মেয়ের পড়ালেখার খরচ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের আব্দুস সামাদের ছেলে মোঃ নাসির (৩৬)।

রবিবার  ( ২৩শে জুন ) সকালে উপজেলা শহরের কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় ভ্যানে করে আনারস বিক্রি করতে দেখা যায় নাসিরকে। এই সময় কথা হলে নাসির বলেন, ‘প্রায় ১৬ বছর ধরে এই আনারস বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছি। বছরের অর্ধেক সময় কালীগঞ্জের বিভিন্নস্থানে ফেরি করে আনারস বিক্রি করি। এই পেশা থেকে যা আয় হয় তা দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালাচ্ছি। একই সঙ্গে ছেলে-মেয়ের পড়ালেখার খরচ চলে। সবমিলিয়ে বেকার না থেকে আনারস বিক্রিকে পেশা হিসেবে নিয়ে অনেক ভালো আছি।’

আনারসের দাম আর বেচা-কেনা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ পিচ আনারস ভ্যানে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিক্রি করি। ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস আনারস বিক্রি করি। এতে খরচ বাদে আয় হয় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।’ নাসিরের কাছে আনারস কিনতে আসা , আবদুল আজিজ বলেন নাসির মাঝে মধ্যেই এই এলাকায় আনারস নিয়ে আসেন। তিনি আমাদের সবার কাছে পরিচিত মুখ। ৩০ টাকা পিস হিসেবে ৪ পিস আনারস কিনলাম।’

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ‘নাসির ভ্যানে করে আনারস বিক্রি করে স্বাচ্ছন্দে সংসার চালাচ্ছেন। বেকার না থেকে এভাবে সিজনাল ফল অথবা সবজি যাবতীয়  জিনিসপত্র নিয়ে ভ্যানে করে বিক্রি করলে অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। চিন্তা ও ভারমুক্ত ভাবে তারা সংসার চালাতে পারেন।