০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অটোচুরির অভিযোগে সালিশ, রাতেই বন্ধুর বাড়িতে খুন রিয়াদ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বন্ধুর বাড়ি থেকে রিয়াদ (২৫) নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অটোরিকশা চুরির ঘটনায় সালিশে অভিযুক্ত হওয়ার পরের রাতেই তিনি খুন হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে আচারগাঁও ইউনিয়নের গারুয়া গ্রামের ভাটুয়াপাড়ায় বন্ধু নাদিমের ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রিয়াদ একই ইউনিয়নের পোড়াবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। ঘটনার পর থেকে নাদিম ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে হানিফ মিয়া নামের এক ব্যক্তির একটি অটোরিকশা চুরি হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে রিয়াদকে আটক করে হানিফের লোকজন। পরে স্থানীয়ভাবে এক সালিশ বৈঠকে রিয়াদ চুরির কথা স্বীকার করেন এবং একই গ্রামের নাদিমের জড়িত থাকার কথা জানান।
সালিশ শেষে নাদিমের মা উভয়কে তাদের হেফাজতে নিয়ে যান। ওই রাতেই রিয়াদ নাদিমের বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন। তবে সকালে ঘরে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের বাবা আব্দুল লতিফ বলেন, “আমার ছেলে রাজমিস্ত্রির কাজ করতো। সে কিছুটা নেশাগ্রস্ত ছিল, তবে কারও ক্ষতি করত না। তার সঙ্গে কিছু লোকের শত্রুতা ছিল। আমি তার হত্যার সঠিক বিচার চাই।”
এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ওসি (তদন্ত) মুজাহিদ ইসলাম জানান, “মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএলে শেষের নাটকীয়তার পর ৫ রানে জিতল রাজশাহী

অটোচুরির অভিযোগে সালিশ, রাতেই বন্ধুর বাড়িতে খুন রিয়াদ

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বন্ধুর বাড়ি থেকে রিয়াদ (২৫) নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অটোরিকশা চুরির ঘটনায় সালিশে অভিযুক্ত হওয়ার পরের রাতেই তিনি খুন হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে আচারগাঁও ইউনিয়নের গারুয়া গ্রামের ভাটুয়াপাড়ায় বন্ধু নাদিমের ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রিয়াদ একই ইউনিয়নের পোড়াবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। ঘটনার পর থেকে নাদিম ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে হানিফ মিয়া নামের এক ব্যক্তির একটি অটোরিকশা চুরি হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে রিয়াদকে আটক করে হানিফের লোকজন। পরে স্থানীয়ভাবে এক সালিশ বৈঠকে রিয়াদ চুরির কথা স্বীকার করেন এবং একই গ্রামের নাদিমের জড়িত থাকার কথা জানান।
সালিশ শেষে নাদিমের মা উভয়কে তাদের হেফাজতে নিয়ে যান। ওই রাতেই রিয়াদ নাদিমের বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন। তবে সকালে ঘরে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের বাবা আব্দুল লতিফ বলেন, “আমার ছেলে রাজমিস্ত্রির কাজ করতো। সে কিছুটা নেশাগ্রস্ত ছিল, তবে কারও ক্ষতি করত না। তার সঙ্গে কিছু লোকের শত্রুতা ছিল। আমি তার হত্যার সঠিক বিচার চাই।”
এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ওসি (তদন্ত) মুজাহিদ ইসলাম জানান, “মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”