০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০ দিন বন্ধ থাকার পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট ফের চালু হয়েছে

বাংলাদেশের একমাত্র কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১০ দিন বন্ধ থাকার পর তৃতীয় ইউনিট আবার চালু হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উৎপাদনে গেলে রাতেই জাতীয় গ্রিডে ১৬০-১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।
গত ২১জুলাই ভোরে যান্ত্রিক কারণে তৃতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায় এবং দুপুরে এক নম্বর ইউনিটও বন্ধ হয়। ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে এক নম্বর ইউনিটটি পুনরায় চালু করে প্রতিদিন ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। এই ইউনিট চালু রাখতে ৭০০-৮০০ টন কয়লা প্রয়োজন হয়।
বড়পুকুরিয়ার ১২৫ মেগাওয়াটের ২ নং ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এটি সচল থাকলে দৈনিক ৬৫-৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ওপর নির্ভরশীল। খনির কোল ইয়ার্ডে বর্তমানে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার টন কয়লা মজুত রয়েছে। পুরো ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হয়। তবে কখনো একসঙ্গে তিনটি ইউনিট চালু রাখা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, একই দিনে সকালে বয়লারের পাইপ ফেটে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এটি সচল হতে ৩-৪ দিন সময় লাগবে। পাশাপাশি তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখার জন্য প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টন কয়লা দরকার পড়ে। এটি চালু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে লোডশেডিং অনেকটা কমবে।
খনির ১৩০৫ নম্বর ফেইজের কয়লা শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ২৩ জুন থেকে উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। নতুন ১৪০৬ নম্বর ফেইজে যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ চলছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে নতুন করে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ দিন বন্ধ থাকার পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট ফের চালু হয়েছে

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশের একমাত্র কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১০ দিন বন্ধ থাকার পর তৃতীয় ইউনিট আবার চালু হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উৎপাদনে গেলে রাতেই জাতীয় গ্রিডে ১৬০-১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।
গত ২১জুলাই ভোরে যান্ত্রিক কারণে তৃতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায় এবং দুপুরে এক নম্বর ইউনিটও বন্ধ হয়। ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে এক নম্বর ইউনিটটি পুনরায় চালু করে প্রতিদিন ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। এই ইউনিট চালু রাখতে ৭০০-৮০০ টন কয়লা প্রয়োজন হয়।
বড়পুকুরিয়ার ১২৫ মেগাওয়াটের ২ নং ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এটি সচল থাকলে দৈনিক ৬৫-৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ওপর নির্ভরশীল। খনির কোল ইয়ার্ডে বর্তমানে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার টন কয়লা মজুত রয়েছে। পুরো ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হয়। তবে কখনো একসঙ্গে তিনটি ইউনিট চালু রাখা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, একই দিনে সকালে বয়লারের পাইপ ফেটে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এটি সচল হতে ৩-৪ দিন সময় লাগবে। পাশাপাশি তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখার জন্য প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টন কয়লা দরকার পড়ে। এটি চালু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে লোডশেডিং অনেকটা কমবে।
খনির ১৩০৫ নম্বর ফেইজের কয়লা শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ২৩ জুন থেকে উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। নতুন ১৪০৬ নম্বর ফেইজে যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ চলছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে নতুন করে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।