০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাটে র‌্যাম্প পানিতে, ব্যাহত ফেরি যোগাযোগ

0-0x0-3-0#

পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে ভাঙনের ফলে ৪ নম্বর ফেরিঘাটের র‌্যাম্প পানিতে ডুবে গেলে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় ঘাটটি । অপরদিকে, মেরামতের কাজ চলায় দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল ৩ নম্বর ঘাটও। ফলে দুপুর পর্যন্ত ফেরি চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে পাটুরিয়ার ৫টি ফেরিঘাটের মধ্যে কেবল ২টি দিয়ে ফেরি পারাপার হচ্ছে।
ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য অঞ্চলের ফেরি যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো ঘাটে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।
কুষ্টিয়ার থেকে পণ্যবোঝাই ট্রাক নিয়ে আসা চালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মালামাল সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে ব্যবসায়ীরা আমাদের গালমন্দ করে। একেক দিন একেক ঘাট বন্ধ হয়, কোনো স্থায়ী সমাধান না করতে পারলে আমাদের মাল নিয়ে পদ্মা সেতু হয়ে ঘুরে যেতে হবে সে ক্ষেত্রে বাড়বে খরচ ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম আব্দুস সালাম জানান, নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙন পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিত মেরামতের কাজ চলছে। তবে স্থায়ী সমাধান নির্ভর করছে নদী শাসন প্রকল্পের ওপর।
এসএস/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাটে র‌্যাম্প পানিতে, ব্যাহত ফেরি যোগাযোগ

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৪ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে ভাঙনের ফলে ৪ নম্বর ফেরিঘাটের র‌্যাম্প পানিতে ডুবে গেলে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় ঘাটটি । অপরদিকে, মেরামতের কাজ চলায় দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল ৩ নম্বর ঘাটও। ফলে দুপুর পর্যন্ত ফেরি চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে পাটুরিয়ার ৫টি ফেরিঘাটের মধ্যে কেবল ২টি দিয়ে ফেরি পারাপার হচ্ছে।
ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য অঞ্চলের ফেরি যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো ঘাটে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।
কুষ্টিয়ার থেকে পণ্যবোঝাই ট্রাক নিয়ে আসা চালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মালামাল সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে ব্যবসায়ীরা আমাদের গালমন্দ করে। একেক দিন একেক ঘাট বন্ধ হয়, কোনো স্থায়ী সমাধান না করতে পারলে আমাদের মাল নিয়ে পদ্মা সেতু হয়ে ঘুরে যেতে হবে সে ক্ষেত্রে বাড়বে খরচ ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম আব্দুস সালাম জানান, নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙন পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিত মেরামতের কাজ চলছে। তবে স্থায়ী সমাধান নির্ভর করছে নদী শাসন প্রকল্পের ওপর।
এসএস/সবা