০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‎পানছড়ি বাস টার্মিনাল অব্যবহৃত, বাজারেই চলছে সকল কার্যক্রম: জনভোগান্তি চরমে ‎

‎খাগড়াছড়ি জেলার অন্যতম ব্যস্ততম উপজেলা পানছড়ি। এখানে একটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটি অব্যবহৃত পড়ে আছে। বর্তমানে সব ধরনের বাস-মিনিবাস, সিএনজি, মাহেন্দ্র, বাইক, অটোরিকশা ও ট্রাকসহ যানবাহনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে উপজেলা সদরের প্রধান বাজারেই। ফলে প্রতিদিন বাজারের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ পড়ছে নানাবিধ ভোগান্তিতে।

‎জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ২০০৪-০৫ অর্থবছরে এটি বাস্তবায়ন করা হয়। তারপর থেকেই উপজেলা সদরের বাজারের পাশেই স্থাপিত বাস টার্মিনালটিতে নিয়মিত যানবাহনের ওঠানামা হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে টার্মিনালটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। অপরদিকে বাজারকেন্দ্রিক সব কার্যক্রম চলার কারণে একদিকে যেমন সড়কে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

‎বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষ বলছেন, “টার্মিনাল থাকার পরও সব গাড়ি বাজারে উঠানামা করছে। এতে ভিড় বাড়ছে, দুর্ঘটনা ঘটার ভয় আছে। আবার রাস্তায় হেঁটে চলাও কঠিন হয়ে পড়ছে।”

‎অন্যদিকে বাজার ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, “রাস্তার মাঝখানে যাত্রী উঠানামা হওয়ায় দোকানের সামনের জায়গা আটকে যায়। যানজটের কারণে ক্রেতারাও বিরক্ত হন। এতে বেচাকেনায়ও প্রভাব পড়ে।”

‎জনসাধারণের দাবি, অবিলম্বে বাস টার্মিনালে পূর্বের মতো আবারও সব যানবাহনের চলাচল নিশ্চিত করা হোক। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের যথাযথ উদ্যোগ নিলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, একটি কার্যকর ও নিয়মিত মনিটরিং টিম গঠন করে বাস টার্মিনালে যানবাহন চলাচল বাধ্যতামূলক করতে হবে। একই সঙ্গে টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করা হলে যাত্রীদেরও সুবিধা হবে এবং বাজারকেন্দ্রিক যানজট থেকে মুক্তি মিলবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএলে শেষের নাটকীয়তার পর ৫ রানে জিতল রাজশাহী

‎পানছড়ি বাস টার্মিনাল অব্যবহৃত, বাজারেই চলছে সকল কার্যক্রম: জনভোগান্তি চরমে ‎

আপডেট সময় : ০২:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

‎খাগড়াছড়ি জেলার অন্যতম ব্যস্ততম উপজেলা পানছড়ি। এখানে একটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটি অব্যবহৃত পড়ে আছে। বর্তমানে সব ধরনের বাস-মিনিবাস, সিএনজি, মাহেন্দ্র, বাইক, অটোরিকশা ও ট্রাকসহ যানবাহনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে উপজেলা সদরের প্রধান বাজারেই। ফলে প্রতিদিন বাজারের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ পড়ছে নানাবিধ ভোগান্তিতে।

‎জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ২০০৪-০৫ অর্থবছরে এটি বাস্তবায়ন করা হয়। তারপর থেকেই উপজেলা সদরের বাজারের পাশেই স্থাপিত বাস টার্মিনালটিতে নিয়মিত যানবাহনের ওঠানামা হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে টার্মিনালটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। অপরদিকে বাজারকেন্দ্রিক সব কার্যক্রম চলার কারণে একদিকে যেমন সড়কে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

‎বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষ বলছেন, “টার্মিনাল থাকার পরও সব গাড়ি বাজারে উঠানামা করছে। এতে ভিড় বাড়ছে, দুর্ঘটনা ঘটার ভয় আছে। আবার রাস্তায় হেঁটে চলাও কঠিন হয়ে পড়ছে।”

‎অন্যদিকে বাজার ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, “রাস্তার মাঝখানে যাত্রী উঠানামা হওয়ায় দোকানের সামনের জায়গা আটকে যায়। যানজটের কারণে ক্রেতারাও বিরক্ত হন। এতে বেচাকেনায়ও প্রভাব পড়ে।”

‎জনসাধারণের দাবি, অবিলম্বে বাস টার্মিনালে পূর্বের মতো আবারও সব যানবাহনের চলাচল নিশ্চিত করা হোক। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের যথাযথ উদ্যোগ নিলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, একটি কার্যকর ও নিয়মিত মনিটরিং টিম গঠন করে বাস টার্মিনালে যানবাহন চলাচল বাধ্যতামূলক করতে হবে। একই সঙ্গে টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করা হলে যাত্রীদেরও সুবিধা হবে এবং বাজারকেন্দ্রিক যানজট থেকে মুক্তি মিলবে।