এর আগে গত ২৪ আগস্ট যশোর সদর উপজেলার আরবপুর গ্রামের আবু সিদ্দিকের মেয়ে নাসিমা খাতুন জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসেন। এসময় টানাবাজ চক্রের সদস্য শেফালী তার গলা থেকে সোনার চেইন ছিড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তার চিৎকারে অন্য রোগী ও স্বজনেরা শেফালীকে (৩০) আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
সম্প্রতি হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শাহনাজ নামে এক নারী হাউমাউ করে কাঁদছিলেন। তার সন্তানকে হাসপাতালের বর্হিঃবিভাগে ডাক্তার দেখানোর জন্য এসেছিলেন। তিনি জানালেন ভিড়ের মধ্যে রোগীর বেশে থাকা অজ্ঞাত এক নারী তার ব্যাগে থাকা সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও একটি দামি মোবাইল ফোন নিয়ে চম্পট দিয়েছে।
সূত্র জানায়, জেনারেল হাসপাতালকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নারী টানাবাজ চক্র সক্রিয়। তারা হাসপাতালের বর্হিঃবিভাগে রোগীর সাথে মিশে গিয়ে ধান্দাবাজিতে লিপ্ত থাকেন। সহজ সরল নারীদের টার্গেট করে সোনার গহনা, মোবাইল, পার্টসের টাকা হাতিয়ে নেয়াটা তাদের মূল লক্ষ্য।
হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সোহেল রানা জানান, গত কয়েক মাসে হাসপাতালে একাধিক রোগী টানাবাজ চক্রের কবলে পড়ে মোবাইল, টাকা ও সোনার গহনা খুইয়েছেন। ইতিমধ্যে চক্রের দুই সদস্য আটক হয়েছে। বর্হিঃবিভাগে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, হাসপাতালকে ঘিরে নারী টানাবাজ চক্রটি সক্রিয়। তারা সরল রোগীদের টার্গেট করে সোনার গহনা ও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের কবল থেকে রক্ষা পেতে রোগীদের সচেতন হতে হবে।

























