নরসিংদীর মনোহরদীতে ঠিকাদারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণ সামগ্রী লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর রবিবার রাতে লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ইলিয়াস মিয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আরএচডি-হতে চালাকচর জিসি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কার্যাদেশ পায় এএমটি আরবি জেভি নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কাজ শুরু করার পর থেকেই চন্দনবাড়ী ইউনিয়নের হেতেমদী গ্রামের ইলিয়াছ, মমিন, আজিম, শামীম মিয়া, খোরশেদ আলম, কালা মিয়া, ছাব্বির হোসেন বাঘবের গ্রামের জাহিদুল ইসলাম এবং আসাদনগর গ্রামের ইবরাহিমসহ ২০-৩০ জন লোক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক শাহাদাতের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। কিন্তু শাহাদাত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এর জেরে গত ২৪ আগস্ট পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উল্লেখিত ব্যক্তিগনসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন মিলে ধারালো দা, চাপাতি ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রসন্ত্র নিয়ে নির্মাণ কাজে বাধা দেন। পরদিন একই কায়দায় তারা সরাইকান্দী এসে নির্মাণ শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক সাড়ে তিন লাখ টাকার ইটের কণা লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেগুলো হেতেমদী বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে মামুনের জমিতে এনে ফেলে রাখে। এসময় শ্রমিকরা প্রতিবাদ করলে তাদের মারপিট করা হয়।
রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে আবারও অস্রসস্র নিয়ে জোরপূর্বক ট্রাক চালককে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকার ট্রাক ভর্তি ইট নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে মনোহরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ মালামাল উদ্ধারে অভিযান চালায়। রাতে হেতেমদী বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে মামুনের পতিত জমি থেকে মালামাল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আকন্দ বলেন, আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে লুট হওয়া এক ট্রাক ইটের খোয়া উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
এমআর/সবা


























