০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেরোবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নাম্বার টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মার্ক টেম্পারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি একটি অধিকতর তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন—দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম।

এর আগে প্রাথমিক তদন্ত কমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে কাজ করলেও মার্ক টেম্পারিংয়ের প্রমাণ মেলেনি। তবে অডিও ক্লিপগুলো বিশ্লেষণ করা হয়নি।

গত ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক সাবেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগপত্রে তিনি মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি, যৌন হয়রানি ও ফলাফল টেম্পারিংয়ের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে সরাসরি উপস্থিত হয়ে অভিযোগ জানাতে পারেননি।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই মাসের প্রতিশ্রুতি, ১১মাস পেরিয়েও চালু হয়নি নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া

বেরোবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নাম্বার টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মার্ক টেম্পারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি একটি অধিকতর তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন—দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম।

এর আগে প্রাথমিক তদন্ত কমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে কাজ করলেও মার্ক টেম্পারিংয়ের প্রমাণ মেলেনি। তবে অডিও ক্লিপগুলো বিশ্লেষণ করা হয়নি।

গত ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক সাবেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগপত্রে তিনি মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি, যৌন হয়রানি ও ফলাফল টেম্পারিংয়ের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে সরাসরি উপস্থিত হয়ে অভিযোগ জানাতে পারেননি।

এমআর/সবা