০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে সনদ জালিয়াতি করে শিক্ষকতার অভিযোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতি করে শান্তিরাম বাগনচালী
সতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে সনদ জালিয়াতির
মাধ্যমে শিক্ষকতা করে বেতন ভাতা উত্তোলন করে ভোগ করছে। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে
সরকারি অর্থ ভোগ করা আত্মসাতের সামিল বলে মনে করেন সচেতন মহল। জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ
উপজেলার শান্তিরাম বাগনচালী সতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসায় আব্দুর রহিম সরকার সহকারী শিক্ষক পদে
১৯৯২ সালে যোগদান করেন। সরকারি বিধি মোতাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করার জন্য
একাডেমির সনদপত্রের একটিতে দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে
১৯৮৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা, ১৯৯১ সালে এইচএসসি পরীক্ষা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে
১৯৯৫ সালে বিএ (পাস) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে তার সকল সনদপত্রে তৃতীয় বিভাগ
থাকায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে সরকারি অনুদান প্রদান করেননি।
২০০৬ সালে তিনি বিএ পাস সনদপত্রে তৃতীয় বিভাগের স্থলে টেম্পারিং করে দ্বিতীয় বিভাগ লিখে
শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখে ধুলো দিয়ে ২০০৬ সালে সরকারি অনুদান ভুক্ত হয়। ১৯
বছর যাবৎ সনদ জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করে ভোগ করে আসছে। যাহা সরকারি অর্থ
আত্মসাতের সামিল। এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিম সরকার সনদপত্র টেম্পারিং করার
বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন ২০০৬ সালে দ্বিতীয় বিভাগের বিষয়টি শিথিল করার কারণে আমার নাম
এমপিওভুক্ত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

সুন্দরগঞ্জে সনদ জালিয়াতি করে শিক্ষকতার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতি করে শান্তিরাম বাগনচালী
সতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে সনদ জালিয়াতির
মাধ্যমে শিক্ষকতা করে বেতন ভাতা উত্তোলন করে ভোগ করছে। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে
সরকারি অর্থ ভোগ করা আত্মসাতের সামিল বলে মনে করেন সচেতন মহল। জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ
উপজেলার শান্তিরাম বাগনচালী সতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসায় আব্দুর রহিম সরকার সহকারী শিক্ষক পদে
১৯৯২ সালে যোগদান করেন। সরকারি বিধি মোতাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করার জন্য
একাডেমির সনদপত্রের একটিতে দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে
১৯৮৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা, ১৯৯১ সালে এইচএসসি পরীক্ষা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে
১৯৯৫ সালে বিএ (পাস) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে তার সকল সনদপত্রে তৃতীয় বিভাগ
থাকায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে সরকারি অনুদান প্রদান করেননি।
২০০৬ সালে তিনি বিএ পাস সনদপত্রে তৃতীয় বিভাগের স্থলে টেম্পারিং করে দ্বিতীয় বিভাগ লিখে
শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখে ধুলো দিয়ে ২০০৬ সালে সরকারি অনুদান ভুক্ত হয়। ১৯
বছর যাবৎ সনদ জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করে ভোগ করে আসছে। যাহা সরকারি অর্থ
আত্মসাতের সামিল। এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিম সরকার সনদপত্র টেম্পারিং করার
বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন ২০০৬ সালে দ্বিতীয় বিভাগের বিষয়টি শিথিল করার কারণে আমার নাম
এমপিওভুক্ত হয়েছে।