১২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঁকখালী তীরে কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব যেন অসাম্প্রদায়িক আনন্দমেলা

কক্সবাজারের রামু উপজেলার বাঁকখালী নদীতে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী কল্প জাহাজ ভাসানো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই উৎসবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে নানা ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করে, যা এক অসাম্প্রদায়িক মিলন মেলার রূপ ধারণ করে।

উৎসবে বাঁশ, কাঠ, বেত ও রঙিন কাগজে তৈরি সাতটি জাহাজ নদীতে ভাসানো হয়। প্রতিটি জাহাজে জাদি, হাঁস, ময়ূর, হাতিসহ বিভিন্ন প্রাণীর অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া ভাসমান জাহাজে বৌদ্ধ কীর্তন চলেছে, কেউ নাচছেন, কেউ গান গাইছেন, আবার কেউ ঢোল ও কাঁসাসহ নানা বাদ্যযন্ত্রে মেতে উঠেছেন। শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস পুরো উৎসবকে প্রাণবন্ত করেছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, শত বছরের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার পাশাপাশি ভগবান বুদ্ধের শান্তি বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের লক্ষ্য। উৎসবে উপস্থিত একটি এনজিও কর্মী বলেন, “এ উৎসব বৌদ্ধদের হলেও প্রতি বছর এটি অসাম্প্রদায়িক মিলন মেলায় পরিণত হয়।”

উৎসবে আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, “সকলকে নিয়ে আমাদের পথ চলা; কোনো দুষ্ট চক্র যাতে ভালোবাসা, স্বকীয়তা ও সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে, সতর্ক থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরা ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. সুকোমল বড়ুয়া, উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিথুন বড়ুয়া বোথাম, কক্সবাজার-৩ আসনের সাবেক সাংসদ লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার সাইফুদ্দিন শাহীন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য বাবু উদয় কুসুম বড়ুয়া ও রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরফানুল হক চৌধুরী।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

বাঁকখালী তীরে কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব যেন অসাম্প্রদায়িক আনন্দমেলা

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারের রামু উপজেলার বাঁকখালী নদীতে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী কল্প জাহাজ ভাসানো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই উৎসবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে নানা ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করে, যা এক অসাম্প্রদায়িক মিলন মেলার রূপ ধারণ করে।

উৎসবে বাঁশ, কাঠ, বেত ও রঙিন কাগজে তৈরি সাতটি জাহাজ নদীতে ভাসানো হয়। প্রতিটি জাহাজে জাদি, হাঁস, ময়ূর, হাতিসহ বিভিন্ন প্রাণীর অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া ভাসমান জাহাজে বৌদ্ধ কীর্তন চলেছে, কেউ নাচছেন, কেউ গান গাইছেন, আবার কেউ ঢোল ও কাঁসাসহ নানা বাদ্যযন্ত্রে মেতে উঠেছেন। শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস পুরো উৎসবকে প্রাণবন্ত করেছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, শত বছরের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার পাশাপাশি ভগবান বুদ্ধের শান্তি বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের লক্ষ্য। উৎসবে উপস্থিত একটি এনজিও কর্মী বলেন, “এ উৎসব বৌদ্ধদের হলেও প্রতি বছর এটি অসাম্প্রদায়িক মিলন মেলায় পরিণত হয়।”

উৎসবে আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, “সকলকে নিয়ে আমাদের পথ চলা; কোনো দুষ্ট চক্র যাতে ভালোবাসা, স্বকীয়তা ও সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে, সতর্ক থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরা ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. সুকোমল বড়ুয়া, উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিথুন বড়ুয়া বোথাম, কক্সবাজার-৩ আসনের সাবেক সাংসদ লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার সাইফুদ্দিন শাহীন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য বাবু উদয় কুসুম বড়ুয়া ও রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরফানুল হক চৌধুরী।

এমআর/সবা