০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর বীরজয়ান বিদ্যালয়ে জাল সনদধারী দুই শিক্ষক

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বীরজয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইজন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি করছিলেন। স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন তাদের সনদ যাচাইয়ের জন্য এনটিআরসিএ-তে প্রেরণ করেন। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে দুই শিক্ষকের সনদ জাল হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

এনটিআরসিএ-এর সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালের ২য় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রোল নম্বর ১১২২০০৫৪-যুক্ত মো. বাবুল আকতার চৌধুরী এবং ৪২৬১৩২৭ রোল নম্বরযুক্ত মো. কামরুজ্জামান মন্ডলের দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত ফলাফলের কোনো মিল নেই। উভয় শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র জাল ও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, মো. কামরুজ্জামান ২০০৮ সালের ৫ মে জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। আর মো. বাবুল আকতার ২০১১ সালের ৫ ডিসেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এ পর্যন্ত তারা সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জোনাব আলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “তাদের তথ্য আমি দিতে পারব না। উপজেলা শিক্ষা অফিসে দেওয়া আছে।” জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর সনদ যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা হয়েছিল। রিপোর্টে সনদ জাল প্রমাণিত হয়েছে। চিঠি হাতে পাওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন চাকরি চালানোর কারণে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সমাজ।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নওগাঁর বীরজয়ান বিদ্যালয়ে জাল সনদধারী দুই শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বীরজয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইজন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি করছিলেন। স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন তাদের সনদ যাচাইয়ের জন্য এনটিআরসিএ-তে প্রেরণ করেন। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে দুই শিক্ষকের সনদ জাল হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

এনটিআরসিএ-এর সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালের ২য় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার রোল নম্বর ১১২২০০৫৪-যুক্ত মো. বাবুল আকতার চৌধুরী এবং ৪২৬১৩২৭ রোল নম্বরযুক্ত মো. কামরুজ্জামান মন্ডলের দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত ফলাফলের কোনো মিল নেই। উভয় শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র জাল ও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, মো. কামরুজ্জামান ২০০৮ সালের ৫ মে জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। আর মো. বাবুল আকতার ২০১১ সালের ৫ ডিসেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এ পর্যন্ত তারা সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জোনাব আলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “তাদের তথ্য আমি দিতে পারব না। উপজেলা শিক্ষা অফিসে দেওয়া আছে।” জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর সনদ যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা হয়েছিল। রিপোর্টে সনদ জাল প্রমাণিত হয়েছে। চিঠি হাতে পাওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন চাকরি চালানোর কারণে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সমাজ।

এমআর/সবা