১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫ টন নিষিদ্ধ পপি বীজ জব্ধ

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা দুটি কনটেইনারে ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ পপি বীজ (পোস্ত দানা) জব্ধ করেছে কাস্টম হাউস। পাকিস্তান থেকে ৯ অক্টোবর আসা চালানটি পরে ছাবের আহমেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেডের নামে নেওয়া হয়।

কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার এইচএম কবির জানান, চালানটির ঘোষিত মূল্য ছিল ৩০ লাখ ২ হাজার ৪৮২ টাকা, কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় পণ্যের বাজারমূল্য সাড়ে ৬ কোটি টাকা ধরা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা চালানটি জব্ধ করে।

পপি বীজ অঙ্কুরোদগম উপযোগী হলে তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুসারে ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে গণ্য হয়। আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৩(১) (খ) অনুসারে পপি বীজ আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। মিথ্যা ঘোষণায় নিষিদ্ধ পপি বীজ আমদানি করায় কাস্টম আইন ২০২৩ অনুযায়ী চালানটি জব্ধ করা হয়েছে।

কাস্টম সূত্র জানায়, খালাসের জন্য হালিশহরের শান্তিবাগের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এমএইচ ট্রেডিং ১৪ অক্টোবর বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেছিল। খালাস স্থগিতের পর ২২ অক্টোবর কায়িক পরীক্ষায় ৭ হাজার ২০০ কেজি বার্ড ফুড এবং ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি পপি বীজ পাওয়া যায়। কনটেইনারের মুখে বার্ড ফুড সাজানো ছিল। নমুনা উদ্ভিদ সংরক্ষণ দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টার এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় পণ্যের মধ্যে পপি বীজ শনাক্ত হয়েছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

শীতের রাতে পায়ে মোজা পরে ঘুমানো ভালো নাকি খারাপ, জানুন

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫ টন নিষিদ্ধ পপি বীজ জব্ধ

আপডেট সময় : ০৭:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা দুটি কনটেইনারে ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ পপি বীজ (পোস্ত দানা) জব্ধ করেছে কাস্টম হাউস। পাকিস্তান থেকে ৯ অক্টোবর আসা চালানটি পরে ছাবের আহমেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেডের নামে নেওয়া হয়।

কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার এইচএম কবির জানান, চালানটির ঘোষিত মূল্য ছিল ৩০ লাখ ২ হাজার ৪৮২ টাকা, কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় পণ্যের বাজারমূল্য সাড়ে ৬ কোটি টাকা ধরা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা চালানটি জব্ধ করে।

পপি বীজ অঙ্কুরোদগম উপযোগী হলে তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুসারে ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে গণ্য হয়। আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৩(১) (খ) অনুসারে পপি বীজ আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। মিথ্যা ঘোষণায় নিষিদ্ধ পপি বীজ আমদানি করায় কাস্টম আইন ২০২৩ অনুযায়ী চালানটি জব্ধ করা হয়েছে।

কাস্টম সূত্র জানায়, খালাসের জন্য হালিশহরের শান্তিবাগের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এমএইচ ট্রেডিং ১৪ অক্টোবর বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেছিল। খালাস স্থগিতের পর ২২ অক্টোবর কায়িক পরীক্ষায় ৭ হাজার ২০০ কেজি বার্ড ফুড এবং ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি পপি বীজ পাওয়া যায়। কনটেইনারের মুখে বার্ড ফুড সাজানো ছিল। নমুনা উদ্ভিদ সংরক্ষণ দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টার এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় পণ্যের মধ্যে পপি বীজ শনাক্ত হয়েছে।

এমআর/সবা