০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবি ভর্তি পরীক্ষায় এক সিটে তিন শিক্ষার্থী, ডিনের ওপর ক্ষুব্ধ উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এক সিটে বসে তিনজন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা দিতে দেখা গেছে। এতে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা  ডিনের উপর রাগ দেখালেন উপাচার্য উপ-উপাচার্যদ্বয়।
শনিবার (৩জানুয়ারি) শহীদ হৃদয় তরুয়া ভবনে (নতুন কলা ভবন) এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শহীদ হৃদয় তরুয়া ভবনে (নতুন কলা ভবন) ২য় তলায় দর্শন বিভাগের একটি কক্ষে প্রত্যেকটি আসনে ৩জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন।
বেলা ১১টা ২০ এর দিকে এ ভবনে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসময় উক্ত রুমে এক সিটে ৩জন করে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।
এসময় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড মোঃ ইকবাল শামীম খান যুক্তিতর্কে বলেন, “তিনজনের ভিন্ন ভিন্ন সেট এবং এই অনুষদে আসন সংকুলান হওয়ায় সবসময় এভাবেই পরীক্ষা হয়ে আসছে।” তর্কের একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হন উপাচার্য। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “সেট মিলাবেন কেন?” ডিন বলেন, “তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা হবেনা”, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, “আমাদের সিট ক্যাপাসিটির বেশি শিক্ষার্থী কেন নিচ্ছেন?” প্রতিত্তোরে ডিন বলেন, এটা তো আমি নিচ্ছি না ডিপার্টমেন্ট চাহিদা দিচ্ছে”।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রে পরিদর্শনরত দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যেই পরীক্ষা দিচ্ছে তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। জায়গা সংকুলান হওয়ায় এক সিটে ৩জন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা নিতে হচ্ছে।”
কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল শাহীন খান বলেন, এখানে তিনটা সেট থাকে একজনের সাথে আরেকজনের প্রশ্নের কোন মিলনের সম্ভাবনা নেই। এটা অযথা রিপোর্ট আছে রিপোর্ট আসলে কোন লাভ নেই এখানে। আর আমরা যদি এভাবে না নেই তাহলে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে পরীক্ষা নিতে হবে।”
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আমরা নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি যেন গালাগালি করে শিক্ষার্থীদের কে না বসানো হয়। পরবর্তীতে এরকম অবস্থা যেন না হয় সেজন্য প্রয়োজনে কেন্দ্র বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হবে।”
শু/সবা

চরম লজ্জার রেকর্ড নোয়াখালীর, ৫ উইকেট নাসুমের

চবি ভর্তি পরীক্ষায় এক সিটে তিন শিক্ষার্থী, ডিনের ওপর ক্ষুব্ধ উপাচার্য

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এক সিটে বসে তিনজন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা দিতে দেখা গেছে। এতে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা  ডিনের উপর রাগ দেখালেন উপাচার্য উপ-উপাচার্যদ্বয়।
শনিবার (৩জানুয়ারি) শহীদ হৃদয় তরুয়া ভবনে (নতুন কলা ভবন) এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শহীদ হৃদয় তরুয়া ভবনে (নতুন কলা ভবন) ২য় তলায় দর্শন বিভাগের একটি কক্ষে প্রত্যেকটি আসনে ৩জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন।
বেলা ১১টা ২০ এর দিকে এ ভবনে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসময় উক্ত রুমে এক সিটে ৩জন করে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।
এসময় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড মোঃ ইকবাল শামীম খান যুক্তিতর্কে বলেন, “তিনজনের ভিন্ন ভিন্ন সেট এবং এই অনুষদে আসন সংকুলান হওয়ায় সবসময় এভাবেই পরীক্ষা হয়ে আসছে।” তর্কের একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হন উপাচার্য। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “সেট মিলাবেন কেন?” ডিন বলেন, “তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা হবেনা”, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, “আমাদের সিট ক্যাপাসিটির বেশি শিক্ষার্থী কেন নিচ্ছেন?” প্রতিত্তোরে ডিন বলেন, এটা তো আমি নিচ্ছি না ডিপার্টমেন্ট চাহিদা দিচ্ছে”।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রে পরিদর্শনরত দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যেই পরীক্ষা দিচ্ছে তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। জায়গা সংকুলান হওয়ায় এক সিটে ৩জন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা নিতে হচ্ছে।”
কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল শাহীন খান বলেন, এখানে তিনটা সেট থাকে একজনের সাথে আরেকজনের প্রশ্নের কোন মিলনের সম্ভাবনা নেই। এটা অযথা রিপোর্ট আছে রিপোর্ট আসলে কোন লাভ নেই এখানে। আর আমরা যদি এভাবে না নেই তাহলে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে পরীক্ষা নিতে হবে।”
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আমরা নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি যেন গালাগালি করে শিক্ষার্থীদের কে না বসানো হয়। পরবর্তীতে এরকম অবস্থা যেন না হয় সেজন্য প্রয়োজনে কেন্দ্র বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হবে।”
শু/সবা