০২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভালুকায় বেগুন চাষে লাভের আশা প্রান্তিক কৃষকদের

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
  • 150

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ বছর বেগুনের ফলন কম হলেও, বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে বলে প্রান্তিক কৃষকেরা জানিয়েছেন। বেগুন চাষে এবার তারা ব্যাপক লাভের আশা করছেন।
উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় অনেক কৃষকরাই নিজেদের জমিতে বেগুন চাষ করেছেন। কোনো কোনো কৃষক কয়েক দফা বেগুন বিক্রিও করে ফেলেছেন। প্রায় সবারই দুই তিন বিক্রির পরই ক্ষেতের খচর উঠে গেছে। তারা আরো মাস দুয়েক বেগুন উঠাতে পারবেন। এ বছর খরচের দ্বিগুণ লাভের কথাও জানিয়েছেন তারা।
কৃষক কায়সার আলী জানান, তিনি ৪৫ শতক জমিতে বেগুনের আবাদ করেছেন। সার, কীটনাশক, পানি ও শ্রমিক খরচ নিয়ে সেখানে তার প্রায় ৪০ হাজার
টাকা ব্যয় হয়েছে। দীর্ঘ ৭ মাসে তিনি ৪৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন।

সপ্তাহে দুই বার ক্ষেত থেকে বেগুন উঠাতে পারবেন তিনি। আগামী তিন মাস আরও ফলন পাবেন। এ থেকে তার আরও ৬০ হাজার টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি ছাড়াও প্রতিবেশি অনেকেই বেগুনের ক্ষেত করেছেন। অন্য বেগুন চাষিরাও এ বছর লাভবান হবেন বলে জানান তিনি। এদিকে স্থানীয় এক পাইকারকে ক্ষেত থেকে বেগুন উঠিয়ে এনে পাশেই বস্তাবন্দি করতে দেখা গেছে। আলাপ হয় ওই পাইকারের সাথে। দীর্ঘ আলাপচারিতায় পাইকার খালেক মিয়া জানান, তিনি দেশীয় প্রজাতির গোল বেগুন কিনছেন প্রতি কেজি সাড়ে ৫৭ টাকায় আর বোতল বেগুন কেজি প্রতি কিনছেন ৫০ টাকায়। এই বেগুনগুলো তিনি ঢাকার মিরপুরে নিয়ে যাবেন। বেশ কয়েকটি ক্ষেত থেকে তারা বেগুন উত্তোলন করছেন।
এক বা দুই ট্রাক পরিমাণ বেগুন তারা বস্তাবন্দি করবেন। এদিকে সাধারণ এক ক্রেতা জানান, বাজারে প্রতিদিনই বেগুনের দাম উঠানামা করছে। কোনোদিন একশো থেকে একশো দশ বিশ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ চড়ামূল্যে বেগুন কিনতে পাচ্ছেনা। বেগুনের বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে স্থানীয় স্ব স্ব বাজার মনিটরিং টিমকে তৎপর থাকার দাবি জানিয়েছেন ক্রেতা সাধারণ।

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ভালুকায় বেগুন চাষে লাভের আশা প্রান্তিক কৃষকদের

আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ বছর বেগুনের ফলন কম হলেও, বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে বলে প্রান্তিক কৃষকেরা জানিয়েছেন। বেগুন চাষে এবার তারা ব্যাপক লাভের আশা করছেন।
উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় অনেক কৃষকরাই নিজেদের জমিতে বেগুন চাষ করেছেন। কোনো কোনো কৃষক কয়েক দফা বেগুন বিক্রিও করে ফেলেছেন। প্রায় সবারই দুই তিন বিক্রির পরই ক্ষেতের খচর উঠে গেছে। তারা আরো মাস দুয়েক বেগুন উঠাতে পারবেন। এ বছর খরচের দ্বিগুণ লাভের কথাও জানিয়েছেন তারা।
কৃষক কায়সার আলী জানান, তিনি ৪৫ শতক জমিতে বেগুনের আবাদ করেছেন। সার, কীটনাশক, পানি ও শ্রমিক খরচ নিয়ে সেখানে তার প্রায় ৪০ হাজার
টাকা ব্যয় হয়েছে। দীর্ঘ ৭ মাসে তিনি ৪৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন।

সপ্তাহে দুই বার ক্ষেত থেকে বেগুন উঠাতে পারবেন তিনি। আগামী তিন মাস আরও ফলন পাবেন। এ থেকে তার আরও ৬০ হাজার টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি ছাড়াও প্রতিবেশি অনেকেই বেগুনের ক্ষেত করেছেন। অন্য বেগুন চাষিরাও এ বছর লাভবান হবেন বলে জানান তিনি। এদিকে স্থানীয় এক পাইকারকে ক্ষেত থেকে বেগুন উঠিয়ে এনে পাশেই বস্তাবন্দি করতে দেখা গেছে। আলাপ হয় ওই পাইকারের সাথে। দীর্ঘ আলাপচারিতায় পাইকার খালেক মিয়া জানান, তিনি দেশীয় প্রজাতির গোল বেগুন কিনছেন প্রতি কেজি সাড়ে ৫৭ টাকায় আর বোতল বেগুন কেজি প্রতি কিনছেন ৫০ টাকায়। এই বেগুনগুলো তিনি ঢাকার মিরপুরে নিয়ে যাবেন। বেশ কয়েকটি ক্ষেত থেকে তারা বেগুন উত্তোলন করছেন।
এক বা দুই ট্রাক পরিমাণ বেগুন তারা বস্তাবন্দি করবেন। এদিকে সাধারণ এক ক্রেতা জানান, বাজারে প্রতিদিনই বেগুনের দাম উঠানামা করছে। কোনোদিন একশো থেকে একশো দশ বিশ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ চড়ামূল্যে বেগুন কিনতে পাচ্ছেনা। বেগুনের বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে স্থানীয় স্ব স্ব বাজার মনিটরিং টিমকে তৎপর থাকার দাবি জানিয়েছেন ক্রেতা সাধারণ।