০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিজিটাল মাধ্যমে এবার সহজে মাতৃভাষা লিখতে পারবেন চাকমা, মারমা, ম্রো জনগোষ্ঠীর লোকজন

মোবাইলে ইউবোর্ড অ্যাপস ইনস্টল করে খুব সহজে ডিজিটাল মাধ্যমে মাতৃভাষার বর্ণমালা দিয়ে লিখতে পারবেন বাংলাদেশের চাকমা, মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর লোকজন। একই অ্যাপস দিয়ে লিখতে পারবেন বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায়ও।

আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদ মিলনায়তনে নৃগোষ্ঠী ভাষার ডিজিটাইজেশন কম্পোনেন্ট ইউবোর্ড ও ফন্ট শীর্ষক এক কর্মশালায় এ কথা জানান ভাষা গবেষণা ও উন্নয়নবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইবিএলআইসিটি। কর্মশালায় এর ব্যবহার শিখিয়ে দেন ইবিএলআইসিটি কর্মকর্তারা।

দেশের ভাষা গবেষণা ও উন্নয়নবিষয়ক ইবিএলআইসিটি এই কর্মশালা আয়োজন করে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। তিনি বলেন, অন্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের ভাষার বর্ণমালাগুলোর পূর্ণাঙ্গ ডেটা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করতে পারলে সেগুলোও ডিজিটাল মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশে বিদ্যমান সব জনগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর। এ সংরক্ষণকাজে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। তখন গবেষণা ও উন্নয়নকাজ সহজতর হবে। এতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী তাদের ভাষা সংরক্ষণ করতে পারবে।

কর্মশালায় দেখানো হয় খুব সহজে কীভাবে ইউবোর্ডের মাধ্যমে চাকমা, মারমা, ম্রোসহ দেশের ছয়টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা লেখা যায়।

কর্মশালায় জানানো হয়, এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। যেসব জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব ভাষা সংরক্ষণ করতে চায়, তারা ইবিএলআইসিটির মাধ্যমে ভাষা উন্নয়ন করতে পারবে।

কর্মশালায় বক্তব্য দেন ইবিএলআইসিটির প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব করিম, পরামর্শক মামুন অর রশীদ, রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক জিতেন চাকমা, গবেষক প্রসন্ন কুমার চাকমা, মনোজ বাহাদুর গুর্খা।

কর্মশালায় রাঙামাটিতে বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, খিয়া, পাংখো, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শতাধিক শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল মাধ্যমে এবার সহজে মাতৃভাষা লিখতে পারবেন চাকমা, মারমা, ম্রো জনগোষ্ঠীর লোকজন

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

মোবাইলে ইউবোর্ড অ্যাপস ইনস্টল করে খুব সহজে ডিজিটাল মাধ্যমে মাতৃভাষার বর্ণমালা দিয়ে লিখতে পারবেন বাংলাদেশের চাকমা, মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর লোকজন। একই অ্যাপস দিয়ে লিখতে পারবেন বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায়ও।

আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদ মিলনায়তনে নৃগোষ্ঠী ভাষার ডিজিটাইজেশন কম্পোনেন্ট ইউবোর্ড ও ফন্ট শীর্ষক এক কর্মশালায় এ কথা জানান ভাষা গবেষণা ও উন্নয়নবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইবিএলআইসিটি। কর্মশালায় এর ব্যবহার শিখিয়ে দেন ইবিএলআইসিটি কর্মকর্তারা।

দেশের ভাষা গবেষণা ও উন্নয়নবিষয়ক ইবিএলআইসিটি এই কর্মশালা আয়োজন করে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। তিনি বলেন, অন্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের ভাষার বর্ণমালাগুলোর পূর্ণাঙ্গ ডেটা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করতে পারলে সেগুলোও ডিজিটাল মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশে বিদ্যমান সব জনগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর। এ সংরক্ষণকাজে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। তখন গবেষণা ও উন্নয়নকাজ সহজতর হবে। এতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী তাদের ভাষা সংরক্ষণ করতে পারবে।

কর্মশালায় দেখানো হয় খুব সহজে কীভাবে ইউবোর্ডের মাধ্যমে চাকমা, মারমা, ম্রোসহ দেশের ছয়টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা লেখা যায়।

কর্মশালায় জানানো হয়, এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। যেসব জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব ভাষা সংরক্ষণ করতে চায়, তারা ইবিএলআইসিটির মাধ্যমে ভাষা উন্নয়ন করতে পারবে।

কর্মশালায় বক্তব্য দেন ইবিএলআইসিটির প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব করিম, পরামর্শক মামুন অর রশীদ, রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক জিতেন চাকমা, গবেষক প্রসন্ন কুমার চাকমা, মনোজ বাহাদুর গুর্খা।

কর্মশালায় রাঙামাটিতে বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, খিয়া, পাংখো, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শতাধিক শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআর/সবা