০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জন্মদিনে বাবাকে নিয়ে যা বললেন শামারুহ

৭৯ বছরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তাঁর মেয়ে শামারুহ্ মির্জা

৭৮ পেরিয়ে ৭৯ বছরে পা রাখলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জন্মদিনে বাবাকে নিয়ে বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘মানুষটা তার যৌবন দিয়েছেন এই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য। এই শেষ বয়সে এসে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন। দৃঢ় সংকল্পে দাঁড়িয়ে আছেন।’

মির্জা শামারুহ’র ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো, ‘আমরা দুই বোন যখন ছোট্ট ছিলাম, আমার বাবা চাকরি ছেড়ে, পুরো পরিবারকে ঢাকায় ফেলে ঠাকুরগাঁয়ে চলে যান। এক-দুই দিন না, বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছিলাম বাবাকে কাছে না পেয়ে, কারণ তিনি চেয়েছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করবেন। খুব কঠিন ছিল আমাদের বড় হওয়া। আমরা কষ্ট পেয়েছি, বিরক্ত হয়েছি কিন্তু আমার বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমরা টুক টুক করে বড় হলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি, পিএইচডি করেছি, চষে বেড়িয়েছি পৃথিবী। প্রায়ই ভাবি, আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন, তার জন্যও আমার এই জীবনটা সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন- আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি। আপনাদের জন্য।’

মির্জা শামারুহ’র ফেসবুক পোস্ট

 

মির্জা শামারুহ লিখেছেন, ‘মির্জা আলমগীর এই ৭৮ বছরেও হতোদ্যম হননি। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে ১১ বার। আওয়ামী লীগের হামলায় আহত হয়েছে, শেখ হাসিনার ক্যাডাররা তার চরিত্র হানির চেষ্টা করেছে, এখন তাকে বাংলাদেশে উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু তৈরি করা হয়েছে। শরীরটাও ভালো না। আমি তার মেয়ে- আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। মির্জা আলমগীর বাসায় আমাদের যা বলেন, যে ভাষায় বলেন, আপনাদেরকেও ঠিক তাই বলেন- মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।’

তিনি লেখেন, ‘মির্জা আলমগীর প্রতিশোধের জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি শুধু একটাই জিনিস চেয়েছেন সারা জীবন- গণতন্ত্র। সাধারণ মানুষের উন্নতির রাজনীতি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আব্বুর সারা জীবন না হলেও অন্তত আমার সারা জীবনটুকু তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্যই দিয়েছেন। মানুষটা তার যৌবন দিয়েছেন এই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য। এই শেষ বয়সে এসে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন। দৃঢ় সংকল্পে দাঁড়িয়ে আছে। হ্যাডি বার্থ ডে আব্বুজি।’

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জবির সাবেক ভিসি মীজানুর রহমানকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

জন্মদিনে বাবাকে নিয়ে যা বললেন শামারুহ

৭৯ বছরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আপডেট সময় : ০৫:১২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

৭৮ পেরিয়ে ৭৯ বছরে পা রাখলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জন্মদিনে বাবাকে নিয়ে বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘মানুষটা তার যৌবন দিয়েছেন এই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য। এই শেষ বয়সে এসে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন। দৃঢ় সংকল্পে দাঁড়িয়ে আছেন।’

মির্জা শামারুহ’র ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো, ‘আমরা দুই বোন যখন ছোট্ট ছিলাম, আমার বাবা চাকরি ছেড়ে, পুরো পরিবারকে ঢাকায় ফেলে ঠাকুরগাঁয়ে চলে যান। এক-দুই দিন না, বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছিলাম বাবাকে কাছে না পেয়ে, কারণ তিনি চেয়েছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করবেন। খুব কঠিন ছিল আমাদের বড় হওয়া। আমরা কষ্ট পেয়েছি, বিরক্ত হয়েছি কিন্তু আমার বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমরা টুক টুক করে বড় হলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি, পিএইচডি করেছি, চষে বেড়িয়েছি পৃথিবী। প্রায়ই ভাবি, আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন, তার জন্যও আমার এই জীবনটা সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন- আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি। আপনাদের জন্য।’

মির্জা শামারুহ’র ফেসবুক পোস্ট

 

মির্জা শামারুহ লিখেছেন, ‘মির্জা আলমগীর এই ৭৮ বছরেও হতোদ্যম হননি। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে ১১ বার। আওয়ামী লীগের হামলায় আহত হয়েছে, শেখ হাসিনার ক্যাডাররা তার চরিত্র হানির চেষ্টা করেছে, এখন তাকে বাংলাদেশে উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু তৈরি করা হয়েছে। শরীরটাও ভালো না। আমি তার মেয়ে- আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। মির্জা আলমগীর বাসায় আমাদের যা বলেন, যে ভাষায় বলেন, আপনাদেরকেও ঠিক তাই বলেন- মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।’

তিনি লেখেন, ‘মির্জা আলমগীর প্রতিশোধের জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি শুধু একটাই জিনিস চেয়েছেন সারা জীবন- গণতন্ত্র। সাধারণ মানুষের উন্নতির রাজনীতি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আব্বুর সারা জীবন না হলেও অন্তত আমার সারা জীবনটুকু তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্যই দিয়েছেন। মানুষটা তার যৌবন দিয়েছেন এই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য। এই শেষ বয়সে এসে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন। দৃঢ় সংকল্পে দাঁড়িয়ে আছে। হ্যাডি বার্থ ডে আব্বুজি।’

এমআর/সবা