০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে ভোট দেওয়ায় গৃহবধূকে তালাক দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ফেনীতে স্বামীর নিষেধ অমান্য করে ভোট দেওয়ার অভিযোগে বিবি জহুরা (৩২) নামে এক গৃহবধূকে মৌখিকভাবে তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন কাওসার স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে স্ত্রীকে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেন কাওসার। তবে প্রথমবার ভোটার হওয়ায় বিবি জহুরা তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে মাগরিবের সময় স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কাওসার। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের রাস্তায় তাকে মৌখিকভাবে ‘তিন তালাক’ দেন এবং ঘরে যেতে নিষেধ করেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে কাওসারকে আটক করে। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি কৌশলে সেখান থেকে সরে যান বলে জানা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা সৌরভ পাটোয়ারী জানান, বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য কলহের অভিযোগ ছিল এবং একাধিকবার সামাজিক সালিসও হয়েছে। ভোট দেওয়া নিয়ে এমন আচরণকে তিনি ‘ন্যাক্কারজনক’ বলে মন্তব্য করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই দম্পতি। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।

এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই; তবে এমন ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে ভোট দেওয়ায় গৃহবধূকে তালাক দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনীতে স্বামীর নিষেধ অমান্য করে ভোট দেওয়ার অভিযোগে বিবি জহুরা (৩২) নামে এক গৃহবধূকে মৌখিকভাবে তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন কাওসার স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে স্ত্রীকে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেন কাওসার। তবে প্রথমবার ভোটার হওয়ায় বিবি জহুরা তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে মাগরিবের সময় স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কাওসার। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের রাস্তায় তাকে মৌখিকভাবে ‘তিন তালাক’ দেন এবং ঘরে যেতে নিষেধ করেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে কাওসারকে আটক করে। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি কৌশলে সেখান থেকে সরে যান বলে জানা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা সৌরভ পাটোয়ারী জানান, বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য কলহের অভিযোগ ছিল এবং একাধিকবার সামাজিক সালিসও হয়েছে। ভোট দেওয়া নিয়ে এমন আচরণকে তিনি ‘ন্যাক্কারজনক’ বলে মন্তব্য করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই দম্পতি। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।

এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই; তবে এমন ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

শু/সবা