ইরানের মিসাইল ভাণ্ডারের এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বাকি মিসাইল কোথায় রয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, ইরানের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মিসাইল ধ্বংস হয়েছে। আরেক অংশ হয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কারের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে।
একই ধরনের মূল্যায়ন দেওয়া হয়েছে ইরানের ড্রোন সক্ষমতা নিয়েও। চারজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ড্রোন ধ্বংস হয়েছে বলে তারা নিশ্চিত।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের অনেক মিসাইল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশটির কাছে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মিসাইল ও ড্রোন রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ হলে এসব অস্ত্র পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হতে পারে।
এই গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক দাবির পার্থক্য দেখা গেছে। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের কাছে খুব অল্পসংখ্যক রকেট অবশিষ্ট রয়েছে। তবে গোয়েন্দারা বলছেন, অন্তত ৩০ শতাংশ মিসাইল এখনো অক্ষত রয়েছে এবং আরও একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত বা চাপা পড়ে আছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যাপক হামলার পরও ইরান মিসাইল নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক এক হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ১৫টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ১১টি ড্রোন ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নিকোল গ্রাজোসকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মিসাইল ধ্বংসের দাবি কিছুটা বাড়িয়ে বলেছে। তার মতে, ইরানের প্রকৃত মিসাইল সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান তাদের বেশিরভাগ মিসাইল ও লঞ্চার ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও স্থাপনায় সংরক্ষণ করে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতা মূল্যায়নকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সূত্র: রয়টার্স
শু/সবা

























