অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক সাব-রেজিস্ট্রার বদলি করে শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের দাবিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও তার ব্যক্তিগত সহকারী মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুদকের কার্যালয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন এ আবেদন দাখিল করেন। আবেদনের সঙ্গে ‘৮ মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে ঘুষ লেনদেন শতকোটি’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আট মাসে নিবন্ধন অধিদপ্তরের ৪০৩ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে কমপক্ষে ২৮২ জনকে বদলি করা হয়। এর মধ্যে অন্তত ২০০ জন ঘুষের মাধ্যমে পছন্দের কর্মস্থলে বদলি পান। অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে এসব বদলি হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের কর্মকর্তাদের একই গ্রেডের কার্যালয়ে পদায়নের বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। বরং ঘুষের বিনিময়ে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তাদের উচ্চ গ্রেডের অফিসে পদায়ন এবং ঘুষ না দেওয়ায় উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের নিম্ন গ্রেডে বদলি করার অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া অনেক কর্মকর্তাকে অল্প সময়ের মধ্যে বারবার বদলি করা হয়েছে, এমনকি যোগদানের আগের দিনও নতুন বদলির নির্দেশ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত বছরের ১ জুন আইন মন্ত্রণালয় থেকে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও তার আগেই ব্যাপক অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দুদকের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শু/সবা
























