যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানাতে বিশাল আয়োজন করেছে ইরান। তবে এই আয়োজন ঘিরে সম্ভাব্য প্রাণহানার আশঙ্কায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ওয়েল্ট শনিবার (৪ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানভিত্তিক এক সাংবাদিক পরিচয় গোপন রেখে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার একটি কথিত গোপন চিঠির তথ্য প্রকাশ করেছেন। চিঠিটি দেশটির প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ওই চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, সাত দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠানে অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। একই সঙ্গে বহু মানুষ নিখোঁজ হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য হতাহত ও নিখোঁজদের ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি তেহরানের বেহেস্ত-ই জাহরা কবরস্থানে কয়েক হাজার নতুন কবর প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ওয়েল্টের উদ্ধৃতিতে তেহরান পৌরসভার এক কর্মী বলেন, প্রস্তুত করা কবরগুলো বাস্তবেই রয়েছে। তার ভাষ্য, তীব্র গরমের মধ্যে বিপুল মানুষের সমাগমে কী পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির মরদেহ প্রথমে তেহরান থেকে কোম শহরে নেওয়া হবে। এরপর তা ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে এনে আগামী ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করা হবে।
তবে ওয়েল্টে প্রকাশিত এই কথিত গোপন চিঠির সত্যতা সম্পর্কে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
সূত্র: ওয়েল্ট
শু/সবা
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























