খাগড়াছড়ি পাহাড়ি অঞ্চলে রবি মৌসুমে প্রধান অর্থকরী উল্লেখ্যযোগ্য ফসল ধান। এখন বোরো ধান রোপনের ভরা মৌসুম। কৃষি প্রধান এই অঞ্চলে শাক-সবজি, সরিষা ও ভুট্টার চাষ হলেও অর্থকরী ফসল হিসেবে ধানই একমাত্র ভরসা। বোরো ধান চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করেছে কৃষক। আবার অনেকেই এখন শুরু করেছেন চারা রোপন।
খাগড়াছড়ি জেলা সদরের নিউজিল্যান্ড, কমলছড়ি হ্যাডম্যান পাড়া, আমতলী, পেরাছড়া, জামতলীসহ কয়েকটি মাঠে সরেজমিনে কৃষকদের এই ব্যস্ততার চিত্র দেখা যায়। তাছাড়া মহালছড়ি, পানছড়ি, দীঘিনালা উপজেলাতে ধান রোপনে দলবেঁধে কাজ করছেন কৃষক কৃষাণীরা। বীজতলা থেকে চারা তোলা, হাল চাষ, মই টানা, সার প্রয়োগ, পানি সেচ, শ্রমিকদের কাজের জোগান দেওয়াসহ কৃষকদের ব্যস্ততার শেষ নাই।
কৃষকরা বলছেন, তেল-সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর তাদের খরচটা গতবারের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
কমলছড়ি হ্যাডম্যান পাড়া কৃষ্ণ চাকমা ও ধীরেন ত্রিপুরা অভিযোগ বলেন, কৃষি অফিস থেকে কোনো ধরণে বীজ ও সার আমরা পাই না।
মংশিনু মারমা বলেন, প্রতিবছরে ধান চাষাবাদ করে খাই। আমরা যখন থেকে ধান চাষশুরু করি তখন থেকে কৃষি অফিস থেকে কিছু পাইনা, কৃষি অফিস থেকে দিলে তো আমরা চাষ করতে সহজ হয়, ভালো হয়।
খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক কিশোর কুমার মজুমদার জানান, খাগড়াছড়িতে সাড়ে এগারো হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ হবে। কারণ এখানে সকল জমিতে সমান পানি সেচের ব্যবস্থা না থাকায় বুরো ধানের চাষোপযোগী করে তোলতে পারে না কৃষকেরা। ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ি বিভিন্ন জায়গায় বুরো ধান রোপণ শুরু হয়ে গেছে। তাছাড়া বুরো ধান চাষীদেরকে কৃষি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। বিনা মূল্যে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। বুরোর উন্নত জাতগুলো মাঠ পর্যায়ের পৌঁছে গেছে।এবং পুরাতন জাত গুলো রিপ্লেস হয়ে যাচ্ছে। এবারে বুরো ধানের লক্ষ মাত্রা সেটা পূর্ণ হয়ে ছাড়িয়ে যাবে বলেছেন কৃষি কর্মকর্তা।
শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে রবি মৌসুমে বোরোধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক
-
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি - আপডেট সময় : ০৩:১৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
- ।
- 180
জনপ্রিয় সংবাদ


























