০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসন শূন্য হলেও ভোট করবো না : ইনু

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের অন্য কোনো আসন ফাঁকা হলেও সেখান থেকে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের পরাজিত হেভিওয়েট প্রার্থী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। টেলিফোনে সবুজ বাংলাকে তিনি বলেছেন, ‘যেখানে আমি নির্বাচন করি, নির্বাচন করলে এখানেই করবো।’

কুষ্টিয়া-২ আসনে (মিরপুর-ভেড়ামারা) ১৪ দলীয় জোটের পক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট করে এবার পরাজিত হয়েছেন ইনু।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এর আগের তিন বার ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছিলেন।

এবার ২৩ হাজার ৩৫৪ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী কামারুল আরেফিনের কাছে। কামারুল ট্রাক প্রতীকে ১ লাখ ২৫ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়েছেন, আর ইনু নৌকা মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৪৫।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে তিনি প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা, সিস্টেমেটিক কারচুপি, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের একাংশের বিরোধিতা, মাস্তানদের ভোট ডাকাতি ও ১৮টি সেন্টারে ভোটের হিসেবে গড়মিলের অভিযোগ করে আসছেন।

এসব ব্যাপারে কী উদ্যোগ নিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের একাংশের বিরোধিতার বিষয়টি রাজনৈতিক বিষয়। এটি রাজনৈতিকভাবেই নিষ্পত্তি হবে ভবিষ্যতে, সময় লাগবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারটি জটিল এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়ার, আট বছরেও শেষ হবে না। সুতরাং এটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না।’ নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তি করার বিধান যতদিন হবে না, ততদিন প্রতিকার পাওয়ার আশা দুরাশা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

আসন শূন্য হলেও ভোট করবো না : ইনু

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের অন্য কোনো আসন ফাঁকা হলেও সেখান থেকে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের পরাজিত হেভিওয়েট প্রার্থী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। টেলিফোনে সবুজ বাংলাকে তিনি বলেছেন, ‘যেখানে আমি নির্বাচন করি, নির্বাচন করলে এখানেই করবো।’

কুষ্টিয়া-২ আসনে (মিরপুর-ভেড়ামারা) ১৪ দলীয় জোটের পক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট করে এবার পরাজিত হয়েছেন ইনু।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এর আগের তিন বার ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছিলেন।

এবার ২৩ হাজার ৩৫৪ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী কামারুল আরেফিনের কাছে। কামারুল ট্রাক প্রতীকে ১ লাখ ২৫ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়েছেন, আর ইনু নৌকা মার্কায় ভোট পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৪৫।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে তিনি প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা, সিস্টেমেটিক কারচুপি, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের একাংশের বিরোধিতা, মাস্তানদের ভোট ডাকাতি ও ১৮টি সেন্টারে ভোটের হিসেবে গড়মিলের অভিযোগ করে আসছেন।

এসব ব্যাপারে কী উদ্যোগ নিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের একাংশের বিরোধিতার বিষয়টি রাজনৈতিক বিষয়। এটি রাজনৈতিকভাবেই নিষ্পত্তি হবে ভবিষ্যতে, সময় লাগবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারটি জটিল এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়ার, আট বছরেও শেষ হবে না। সুতরাং এটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না।’ নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তি করার বিধান যতদিন হবে না, ততদিন প্রতিকার পাওয়ার আশা দুরাশা বলে মন্তব্য করেন তিনি।