০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে পণ্ড, খাবার এতিমখানায়

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পার্থ প্রতিম শীল। এছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠানের সব খাবার এতিমখানা ও মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ওই ইউনিয়নের ফারাজী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গত ৩ জানুয়ারি হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের মো. কালু মিয়ার ছেলে মো. নিশানের সঙ্গে একই এলাকার ফারুখ হোসেনের কন্যা ফাহিমা আক্তারের কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয়। ১৯ জানুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়। গোপন খবর পেয়ে জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বরপক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় উপস্থিত কনের অভিভাবককে অনুষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে মানবিক দৃষ্টিতে কনের মা-বাবা থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বরপক্ষের জন্য রান্না করা খাবার উপজেলার হাটশ হরিপুর গোরস্থানের এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ইউএনও পার্থ প্রতিম শীল বলেন, ‘কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় দেশের প্রচলিত আইন মেনেই এ বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কনের মা ও বাবার  শাস্তি হিসেবে বিয়ের বরযাত্রীদের জন্য তৈরি করা সব খাবার এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।’ এ ধরনের বাল্যবিয়ে যাতে না হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
অভিযানে কুষ্টিয়া সদর ইউএনও পার্থ প্রতিম শীল ও কুষ্টিয়া মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূরে সফুরা ফেরদৌসসহ কয়েকজন পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় সেই অভিযানে যাওয়া সব সেনা সদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি

কুষ্টিয়ায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে পণ্ড, খাবার এতিমখানায়

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পার্থ প্রতিম শীল। এছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠানের সব খাবার এতিমখানা ও মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ওই ইউনিয়নের ফারাজী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গত ৩ জানুয়ারি হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের মো. কালু মিয়ার ছেলে মো. নিশানের সঙ্গে একই এলাকার ফারুখ হোসেনের কন্যা ফাহিমা আক্তারের কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয়। ১৯ জানুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়। গোপন খবর পেয়ে জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বরপক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় উপস্থিত কনের অভিভাবককে অনুষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে মানবিক দৃষ্টিতে কনের মা-বাবা থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বরপক্ষের জন্য রান্না করা খাবার উপজেলার হাটশ হরিপুর গোরস্থানের এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ইউএনও পার্থ প্রতিম শীল বলেন, ‘কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় দেশের প্রচলিত আইন মেনেই এ বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কনের মা ও বাবার  শাস্তি হিসেবে বিয়ের বরযাত্রীদের জন্য তৈরি করা সব খাবার এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।’ এ ধরনের বাল্যবিয়ে যাতে না হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
অভিযানে কুষ্টিয়া সদর ইউএনও পার্থ প্রতিম শীল ও কুষ্টিয়া মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূরে সফুরা ফেরদৌসসহ কয়েকজন পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।