কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পূর্বশত্রুতার জেরে কিশোর গ্যাংয়ের ধারালো দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ৪ জন আহত হয়েছে৷ সোমবার (২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমারখালী শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু এলাকায় এঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- কাজীপাড়া এলাকার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫), বাটিকামারা এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে সবুজ (২৫), বড় মালিয়াট এলাকার খালেক আলীর ছেলে জুয়েল (২৩) ও তাদের সহপাঠী সম্রাট (২৪)। তাদের মধ্যে আরিফুলের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷
এবিষয়ে আহত সম্রাট জানান, রাতে তারা সেতু এলাকায় চা পান করতে গিয়েছিলেন। সেসময় প্রতিপক্ষের পাপ্পু, তুর্য, রামিম, আলিফসহ অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজন এসে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যায়। এতে আরিফের পেট কেটে ভুড়ি বের হয়ে গেছে, সবুজের পায়ের হাড় কেটে গেছে, জুয়েলসহ তিনিও আহত। তার ভাষ্য, কয়েকমাস আগে প্রতিপক্ষের সাথে তাদের মারামারি হয়েছিল। সেই পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষরা তাদের উপর হামলা করেছে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, একজনের নাড়ি-ভুড়ি বেরিয়ে গিয়েছিল। যতদ্রুত সম্ভব প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত পাপ্পু পৌরসভার এলংগী এলাকার মতি’র ছেলে ও স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কুমারখালী পৌরসভা এলাকায় কিশোর গ্যাং চরম বেপরোয়া। তাদের নিয়ে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাকে রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকিবুল ইসলাম জানান, তারা নিজেরা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















