০৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৮দিন পর ফেরি উদ্ধার করলো প্রত্যয়

দীর্ঘ আট দিন পর মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় ৫ নম্বর ঘাটের অদূরে ডুবে যাওয়া ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার রাত ১১টার দিকে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের অদূরে প্রায় ৩০০ মিটার দূর থেকে ফেরিটি উদ্ধার করে ফেরি উদ্ধারকারী বাহিনী।

এরপর ফেরিটি উদ্ধঅর করে রাতের বেলায় পাটুরিয়া ৫নম্বর ঘাটের পূর্ব পাশের দরিকান্দি এলাকার নদীর পাড়ে নোঙ্গর করা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, ডুবে যাওয়ার পর ফেরি ও যানবাহন উদ্ধার কাজ শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম। কিন্তু ডুবে যাওয়া ফেরির ফেরির ওজন বেশি হওয়ায় উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম উদ্ধার করতে সক্ষম হয় নি। এরপর উদ্ধার কাজে হামজা ও রুস্তমের পাশাপাশি উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় যোগ দেয়। কিন্তু নদীতে পানির গভীরতা বেশি হওয়ায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় যোগ দিয়েও তেমন সুবিধা করতে পারছিলনা। এরপর ঝিনাই নামের বিশেষ একটি জাহাজ উদ্ধার কাজে সহযোগীতা করে। যার ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডুবে যাওয়া সকল যানবাহন ও ফেরি উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, বুধবার দিনে ডুবে যাওয়া পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাভ্যান উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা যানবাহনগুলো ঘাটের পাশে রাখা হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়ার ফলে যানবাহনে থাকা মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। ফেরি ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা উদ্ধার কাজ শুরু করলেও উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ফেরি উদ্ধারের মাধ্যমে উদ্ধঅর অভিযানন সমাপ্ত করে।

এদিকে মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, ফেরি ডুবির ঘটনায় নিখোঁজের ৬দিন পর সোমবার বেলা সাড়ে ৪টার দিকে পাটুরিয়া ঘাটের ১৩ কিলোমিটার দূরে পার্শ্ববর্তী হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর বাহাদুরপুর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় ফেরি রজনীগন্ধার সহাকরী ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ন কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত,এর আগে গত বুধবার দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফেরিটি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের অদূরে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে ছোট-বড় ৯টি যানবাহন এবং চালক-হেলপারসহ ২১জন ব্যক্তিকে নিয়ে ডুবে যায়। এঘটনায় ২০জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ফেরির সহকারী ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ন কবির নিহত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

৮দিন পর ফেরি উদ্ধার করলো প্রত্যয়

আপডেট সময় : ১১:২৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

দীর্ঘ আট দিন পর মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় ৫ নম্বর ঘাটের অদূরে ডুবে যাওয়া ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার রাত ১১টার দিকে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের অদূরে প্রায় ৩০০ মিটার দূর থেকে ফেরিটি উদ্ধার করে ফেরি উদ্ধারকারী বাহিনী।

এরপর ফেরিটি উদ্ধঅর করে রাতের বেলায় পাটুরিয়া ৫নম্বর ঘাটের পূর্ব পাশের দরিকান্দি এলাকার নদীর পাড়ে নোঙ্গর করা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, ডুবে যাওয়ার পর ফেরি ও যানবাহন উদ্ধার কাজ শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম। কিন্তু ডুবে যাওয়া ফেরির ফেরির ওজন বেশি হওয়ায় উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম উদ্ধার করতে সক্ষম হয় নি। এরপর উদ্ধার কাজে হামজা ও রুস্তমের পাশাপাশি উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় যোগ দেয়। কিন্তু নদীতে পানির গভীরতা বেশি হওয়ায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় যোগ দিয়েও তেমন সুবিধা করতে পারছিলনা। এরপর ঝিনাই নামের বিশেষ একটি জাহাজ উদ্ধার কাজে সহযোগীতা করে। যার ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডুবে যাওয়া সকল যানবাহন ও ফেরি উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, বুধবার দিনে ডুবে যাওয়া পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাভ্যান উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা যানবাহনগুলো ঘাটের পাশে রাখা হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়ার ফলে যানবাহনে থাকা মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। ফেরি ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা উদ্ধার কাজ শুরু করলেও উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ফেরি উদ্ধারের মাধ্যমে উদ্ধঅর অভিযানন সমাপ্ত করে।

এদিকে মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, ফেরি ডুবির ঘটনায় নিখোঁজের ৬দিন পর সোমবার বেলা সাড়ে ৪টার দিকে পাটুরিয়া ঘাটের ১৩ কিলোমিটার দূরে পার্শ্ববর্তী হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর বাহাদুরপুর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় ফেরি রজনীগন্ধার সহাকরী ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ন কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত,এর আগে গত বুধবার দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফেরিটি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের অদূরে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে ছোট-বড় ৯টি যানবাহন এবং চালক-হেলপারসহ ২১জন ব্যক্তিকে নিয়ে ডুবে যায়। এঘটনায় ২০জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ফেরির সহকারী ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ন কবির নিহত হন।