১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেই নবজাতকের আশ্রয় হলো সরকারি শিশু পরিবারে

নবজাতক বিক্রয়ের ঘটনায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়া লাবনী আক্তার ও তার নবজাতকের পাশে
দাঁড়িয়েছেন রংপুর জেলা প্রশাসন। লাবনী আক্তার ও নবজাতকের অবশেষে ঠাঁই হয়েছে সরকারি শিশু
(বালিকা) পরিবারে। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন রংপুর
সমাজসেবা অধিদপ্তর। রংপুর জেলা সমাজসেবার অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: আব্দুল মতিন বলেন,
গত ২৪ জানুয়ারী বুধবার সকাল ১০টায় নগরীর বিনোদপুরে অবস্থিত সরকারি শিশু (বালিকা)
পরিবারে লাবনী আক্তার ও তার নবজাতকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। নবজাতক বিক্রয়ের ঘটনায় অসহায়
লাবনী আক্তারের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। রংপুর
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরকে বিষয়টি জানালে
সমাজসেবা অধিদপ্তর অসহায় ওই নারীর পাশে দাঁড়ান। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের
হাসান বলেন, অসহায় লাবনী আক্তার ও নবজাতকের বিষয়টি জানার পর সমাজসেবা অধিদপ্তরকে খোঁজ
নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে
নবজাতক ও তার মাকে সরকারি শিশু (বালিকা) পরিবারে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারী
রংপুর নগরীর বুড়ারঘাট এলাকার ওয়াসিম আকরামের স্ত্রী লাবনী প্রসব ব্যাথা নিয়ে হলিক্রিসেন্ট
হাসপাতালে ভর্তি হলে ওই রাতে সিজারের মাধ্যমে তিনি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। বল
পরিশোধের জন্য চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায়ে ওয়াসিম ও লাবনী দ¤পতির অসচ্ছলতাকে পুঁজি করে
হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনি তার পূর্বপরিচিত জেরিনা আক্তার বিথী ও তার স্বামী
রুবেল হোসেন রতনের কাছে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে বিক্রয় করে দেন। এতে
সহযোগিতা করে লাবনীর স্বামী ওয়াসিম আকরাম। এ ঘটনায় লাবনী আক্তার কোতোয়ালি থানায়
অভিযোগ দিলে পুলিশ গত ২১ জানুয়ারি নগরীর পীরজাবাদ এলাকা থেকে নবজাতককে উদ্ধারসহ
হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনি, জেরিনা আক্তার বিথী ও তার স্বামী রুবেল হোসেন রতনকে
গ্রেফতার করে। ঘটনার পর থেকে লাবনীর স্বামী ওয়াসিম আকরাম পালাতক রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

সেই নবজাতকের আশ্রয় হলো সরকারি শিশু পরিবারে

আপডেট সময় : ০২:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

নবজাতক বিক্রয়ের ঘটনায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়া লাবনী আক্তার ও তার নবজাতকের পাশে
দাঁড়িয়েছেন রংপুর জেলা প্রশাসন। লাবনী আক্তার ও নবজাতকের অবশেষে ঠাঁই হয়েছে সরকারি শিশু
(বালিকা) পরিবারে। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন রংপুর
সমাজসেবা অধিদপ্তর। রংপুর জেলা সমাজসেবার অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: আব্দুল মতিন বলেন,
গত ২৪ জানুয়ারী বুধবার সকাল ১০টায় নগরীর বিনোদপুরে অবস্থিত সরকারি শিশু (বালিকা)
পরিবারে লাবনী আক্তার ও তার নবজাতকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। নবজাতক বিক্রয়ের ঘটনায় অসহায়
লাবনী আক্তারের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। রংপুর
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরকে বিষয়টি জানালে
সমাজসেবা অধিদপ্তর অসহায় ওই নারীর পাশে দাঁড়ান। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের
হাসান বলেন, অসহায় লাবনী আক্তার ও নবজাতকের বিষয়টি জানার পর সমাজসেবা অধিদপ্তরকে খোঁজ
নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে
নবজাতক ও তার মাকে সরকারি শিশু (বালিকা) পরিবারে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারী
রংপুর নগরীর বুড়ারঘাট এলাকার ওয়াসিম আকরামের স্ত্রী লাবনী প্রসব ব্যাথা নিয়ে হলিক্রিসেন্ট
হাসপাতালে ভর্তি হলে ওই রাতে সিজারের মাধ্যমে তিনি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। বল
পরিশোধের জন্য চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায়ে ওয়াসিম ও লাবনী দ¤পতির অসচ্ছলতাকে পুঁজি করে
হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনি তার পূর্বপরিচিত জেরিনা আক্তার বিথী ও তার স্বামী
রুবেল হোসেন রতনের কাছে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে বিক্রয় করে দেন। এতে
সহযোগিতা করে লাবনীর স্বামী ওয়াসিম আকরাম। এ ঘটনায় লাবনী আক্তার কোতোয়ালি থানায়
অভিযোগ দিলে পুলিশ গত ২১ জানুয়ারি নগরীর পীরজাবাদ এলাকা থেকে নবজাতককে উদ্ধারসহ
হাসপাতালের পরিচালক এমএস রহমান রনি, জেরিনা আক্তার বিথী ও তার স্বামী রুবেল হোসেন রতনকে
গ্রেফতার করে। ঘটনার পর থেকে লাবনীর স্বামী ওয়াসিম আকরাম পালাতক রয়েছে।