১০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

তিন পার্বত্য জেলায় আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা

তিন পার্বত্য জেলাকে ঘিরে উপজাতিয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা একক আধিপত্য বিস্তারে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পর শান্তি বাহিনী নামে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠি থাকলেও এখন তা ভেঙ্গে ছয়টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত করে তুলেছে। গহীণ অরণ্যে এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের মিনি ক্যান্টেনম্যান্ট গড়ে তুলেছে। পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার, ভারত ও চীনের উগ্রপন্থীরা তাদের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে।

গত দুই বছর আগে হঠাৎ করে কুকি চীন নামের একটি সশস্ত্র সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামে বেশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। গত ২০২৩ সালে তিন পার্বত্য জেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত: ৭৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বি গ্রুপ গুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার। অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ নানা ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলো। তিন পার্বত্য জেলায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও ব্যবসা বানিজ্যসহ সব ধরনের বেচাকেনায় এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের কালেক্টরকে প্রদান করতে হয় নির্দিষ্ট হারে চাঁদা। তিন পার্বত্য জেলায় ছয়টি সশস্ত্র গ্রুপের রয়েছে বিচরণ। জেলা ও উপজেলা শহর গুলোতে রয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলোর কালেক্টর। জেলা ও উপজেলা সদরে বসেই অনেকটা ওপেন সিক্রেট ভাবে চলছে তাদের নীরব চাঁদাবাজি। কুকি চীনের সন্ত্রাসীরাসহ উপজাতিয় সন্ত্রাসীরা সুযোগ বুঝে সেনা বাহিনীর পোশাক ব্যবহার করে গহীণ অরণ্যে যাতায়াত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সর্বশেষ খাগড়াছড়ির মহালছড়ির দুরছড়ি গ্রামে প্রতিপক্ষের গুলিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহত দুই জনের নাম রবি কুমার চাকমা  (৬৫) ও বিমল চাকমা (৫২)। গত ২৪ জানুয়ারি বুধবার  সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুরছড়ি গ্রামে এই হত্যাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই সময় হামলাকারিরা  রহিন্তু চাকমা (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফকে দায়ী করে এই প্রতিবেদককে জানান, দূরছড়ি গ্রামের নিজ বাড়িতে তিন ইউপিডিএফ কর্মী রবি কুমার চাকমা, বিমল চাকমা  ও রহিন্তু চাকমা   অবস্থান করছিলেন। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অর্তকিত হামলা করে রবি কুমার চাকমা ও বিমল চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

তবে বরাবরের মতো ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ। মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন জানান, প্রতিপক্ষের হামলায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলো প্রতিপক্ষের উপর অতর্কিত হামলা করে গহীণ অরণ্যে পালিয়ে যায়। ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের জন্য পুলিশসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রামের সাধারণ জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকারী ও বেসরকারি একাধিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার হওয়ার পর থেকে তিন পার্বত্য জেলায় উপজাতিয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের কাছে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা পরিশোধ করেই বাঙ্গালীসহ উপজাতিয় ব্যবসায়িরা সব ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। প্রতি মাসে কোটি কোটি চাঁদা আদায়ের হিসাব দেখে শান্তি বাহিনী ভেঙ্গে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয় এসব সন্ত্রাসীরা। নব্বইয়ের দশকে একক আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এক গ্রুপের উপর আরেক গ্রুপ বেশ চড়া হয়ে উঠে। বর্তমানে নতুন করে কুকি চীন নামে আরো একটি সশস্ত্র সংগঠনসহ বিভিন্ন এলাকায় ছয়টি সংগঠন সশস্ত্র মহড়া দিচ্ছে। এক গ্রুপ অন্য গ্রুপকে টার্গেট করে হামলা পাল্টা হামলা চালিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

সরকারী সকল উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে প্রতিটি গ্রুপের কালেক্টরকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা পরিশোধ করেই উন্নয়ন কাজ সেরে ফিরতে হয় নিরাপদে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগিদের। বাজারে সবজি, মুরগিসহ সব ধরনের পণ্য বেচাকেনায়ও তাদের কালেক্টরকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা পরিশোধের রেওয়াজ চলছে গত পঞ্চাশ বছরের অধিক সময় ধরে এমন অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়িদের। এসব সন্ত্রাসীদের সবচেয়ে বেশী আয় হয় বনাঞ্চলের কাঠ ও বাঁশ পাচার থেকে। এই খাতে প্রতি বছর এসব সন্ত্রাসীরা শত শত কোটি টাকা আয় করে তাদের সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ভাগভাটোয়ারা করে আয়েশি জীবনযাপন করছে। এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নেতারা চট্টগ্রাম ও ঢাকায় অবস্থান করে গডফাদার হিসাবে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগিরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশের বর্ডারে মাইলের পর মাইল এখনো অরক্ষিত রয়েছে। এসব অরক্ষিত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তাদের নিয়ন্ত্রণে মজুদ করছে। তিন পার্বত্য জেলার সড়কপথ, নদীপথসহ গহীণ অরণ্যে তাদের কালেক্টররা নিয়ম বেঁধেই চাঁদা আদায় করলেও কেউ মুখ খুলে কিছু বলার সাহস পান না বলে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ। একক আধিপত্য বিস্তার করতে সকল সশস্ত্র সংগঠন মরিয়া হয়ে উঠায় যতই দিন যাচ্ছে, ততই স্থানীয় নিরীহ লোকজনের মধ্যে বাড়ছে সংশয় ও শংকা।

 

 

স/মিফা

তিন পার্বত্য জেলায় আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা

আপডেট সময় : ০৭:২০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

তিন পার্বত্য জেলাকে ঘিরে উপজাতিয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা একক আধিপত্য বিস্তারে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পর শান্তি বাহিনী নামে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠি থাকলেও এখন তা ভেঙ্গে ছয়টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত করে তুলেছে। গহীণ অরণ্যে এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের মিনি ক্যান্টেনম্যান্ট গড়ে তুলেছে। পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার, ভারত ও চীনের উগ্রপন্থীরা তাদের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে।

গত দুই বছর আগে হঠাৎ করে কুকি চীন নামের একটি সশস্ত্র সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামে বেশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। গত ২০২৩ সালে তিন পার্বত্য জেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত: ৭৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বি গ্রুপ গুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার। অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ নানা ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলো। তিন পার্বত্য জেলায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও ব্যবসা বানিজ্যসহ সব ধরনের বেচাকেনায় এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের কালেক্টরকে প্রদান করতে হয় নির্দিষ্ট হারে চাঁদা। তিন পার্বত্য জেলায় ছয়টি সশস্ত্র গ্রুপের রয়েছে বিচরণ। জেলা ও উপজেলা শহর গুলোতে রয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলোর কালেক্টর। জেলা ও উপজেলা সদরে বসেই অনেকটা ওপেন সিক্রেট ভাবে চলছে তাদের নীরব চাঁদাবাজি। কুকি চীনের সন্ত্রাসীরাসহ উপজাতিয় সন্ত্রাসীরা সুযোগ বুঝে সেনা বাহিনীর পোশাক ব্যবহার করে গহীণ অরণ্যে যাতায়াত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সর্বশেষ খাগড়াছড়ির মহালছড়ির দুরছড়ি গ্রামে প্রতিপক্ষের গুলিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহত দুই জনের নাম রবি কুমার চাকমা  (৬৫) ও বিমল চাকমা (৫২)। গত ২৪ জানুয়ারি বুধবার  সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুরছড়ি গ্রামে এই হত্যাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই সময় হামলাকারিরা  রহিন্তু চাকমা (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফকে দায়ী করে এই প্রতিবেদককে জানান, দূরছড়ি গ্রামের নিজ বাড়িতে তিন ইউপিডিএফ কর্মী রবি কুমার চাকমা, বিমল চাকমা  ও রহিন্তু চাকমা   অবস্থান করছিলেন। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অর্তকিত হামলা করে রবি কুমার চাকমা ও বিমল চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

তবে বরাবরের মতো ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ। মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন জানান, প্রতিপক্ষের হামলায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলো প্রতিপক্ষের উপর অতর্কিত হামলা করে গহীণ অরণ্যে পালিয়ে যায়। ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের জন্য পুলিশসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রামের সাধারণ জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকারী ও বেসরকারি একাধিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার হওয়ার পর থেকে তিন পার্বত্য জেলায় উপজাতিয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের কাছে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা পরিশোধ করেই বাঙ্গালীসহ উপজাতিয় ব্যবসায়িরা সব ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। প্রতি মাসে কোটি কোটি চাঁদা আদায়ের হিসাব দেখে শান্তি বাহিনী ভেঙ্গে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয় এসব সন্ত্রাসীরা। নব্বইয়ের দশকে একক আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এক গ্রুপের উপর আরেক গ্রুপ বেশ চড়া হয়ে উঠে। বর্তমানে নতুন করে কুকি চীন নামে আরো একটি সশস্ত্র সংগঠনসহ বিভিন্ন এলাকায় ছয়টি সংগঠন সশস্ত্র মহড়া দিচ্ছে। এক গ্রুপ অন্য গ্রুপকে টার্গেট করে হামলা পাল্টা হামলা চালিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

সরকারী সকল উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে প্রতিটি গ্রুপের কালেক্টরকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা পরিশোধ করেই উন্নয়ন কাজ সেরে ফিরতে হয় নিরাপদে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগিদের। বাজারে সবজি, মুরগিসহ সব ধরনের পণ্য বেচাকেনায়ও তাদের কালেক্টরকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা পরিশোধের রেওয়াজ চলছে গত পঞ্চাশ বছরের অধিক সময় ধরে এমন অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়িদের। এসব সন্ত্রাসীদের সবচেয়ে বেশী আয় হয় বনাঞ্চলের কাঠ ও বাঁশ পাচার থেকে। এই খাতে প্রতি বছর এসব সন্ত্রাসীরা শত শত কোটি টাকা আয় করে তাদের সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ভাগভাটোয়ারা করে আয়েশি জীবনযাপন করছে। এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নেতারা চট্টগ্রাম ও ঢাকায় অবস্থান করে গডফাদার হিসাবে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগিরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশের বর্ডারে মাইলের পর মাইল এখনো অরক্ষিত রয়েছে। এসব অরক্ষিত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তাদের নিয়ন্ত্রণে মজুদ করছে। তিন পার্বত্য জেলার সড়কপথ, নদীপথসহ গহীণ অরণ্যে তাদের কালেক্টররা নিয়ম বেঁধেই চাঁদা আদায় করলেও কেউ মুখ খুলে কিছু বলার সাহস পান না বলে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ। একক আধিপত্য বিস্তার করতে সকল সশস্ত্র সংগঠন মরিয়া হয়ে উঠায় যতই দিন যাচ্ছে, ততই স্থানীয় নিরীহ লোকজনের মধ্যে বাড়ছে সংশয় ও শংকা।

 

 

স/মিফা