০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, ১৮ বছর পর যাবজ্জীবন 

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. সোনাউল্যাহ (৫৫) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসাথে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এই রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. মুক্তার হোসেন।

আদালত সুত্রে জানা যায় , ২০০৫ সালে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী ২০ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারী কে ধর্ষণ করেন সোনাউল্যাহ। কিন্তু ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিষয়টি সামনে আসেনা। এরপর অনেকদিন কেটে গেলে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে।

তখন নারী ইতোমধ্যেই ২৮ সপ্তাহের গর্ভবতী। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা আদালতে মামলার আবেদন দিলে আদালত কাজিপুর থানা পুলিশকে মামলাটি (এফআইআর) এজাহার হিসেবে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ মামলাটি নিয়ে তদন্ত করে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার সাক্ষ্য ও সাক্ষীর বক্তব্য পর্যালোচনা করে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় আদালত  আজ সোনাউল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

ফুটপাত থেকে হকার মুক্ত করতে চসিকের ফের অভিযান

প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, ১৮ বছর পর যাবজ্জীবন 

আপডেট সময় : ০৭:১২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. সোনাউল্যাহ (৫৫) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসাথে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এই রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. মুক্তার হোসেন।

আদালত সুত্রে জানা যায় , ২০০৫ সালে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী ২০ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারী কে ধর্ষণ করেন সোনাউল্যাহ। কিন্তু ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিষয়টি সামনে আসেনা। এরপর অনেকদিন কেটে গেলে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে।

তখন নারী ইতোমধ্যেই ২৮ সপ্তাহের গর্ভবতী। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা আদালতে মামলার আবেদন দিলে আদালত কাজিপুর থানা পুলিশকে মামলাটি (এফআইআর) এজাহার হিসেবে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ মামলাটি নিয়ে তদন্ত করে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার সাক্ষ্য ও সাক্ষীর বক্তব্য পর্যালোচনা করে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় আদালত  আজ সোনাউল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।