০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উপজেলায় গ্রহণযোগ্য ভোট নিশ্চিতে জোর ইসির

▶চলছে নানা প্রস্তুতি
▶ভোটকেন্দ্র নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা

 

 

 

 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আর এ নির্বাচন যেন শতভাগ গ্রহণযোগ্য হয় এ নিয়ে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন যেন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয় এ লক্ষ্যে শতভাগ অনড় থাকবে ইসি। আর এ লক্ষ্যে এরই মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল করতে একাধিক নির্দেশনা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে ইসি।

 

 

এদিকে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোতে চলছে প্রস্তুতি। যদিও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো প্রতীক দেবে না বলে জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো প্রতীক দেবে না। এতে করে একই দলের একাধিক প্রার্থী এবং বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার বিষয়টি থাকবে না। তবে, তৃণমূল পর্যায়ে দলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য মনোনীত করবেন স্থানীয় নেতারা। এর ফলে দলের সকল নেতাকর্মী ভোটের মাঠে কাজ করবে। আর এর মাধ্যমে আওয়ামী ঘরানার প্রার্থীকেই দলের পক্ষ থেকে প্রতীক ছাড়াই নির্বাচিত করে বের করে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন দলের নেতৃবৃন্দ।

 

 

এদিকে, দলটির একাধিক সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য এরই মধ্যেই তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। তারা কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের কাছে জোর তদবির চালাচ্ছে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি এখনো জানায়নি তারা নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেবে কি না! এ নিয়ে দলটির কর্মীরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলীয়ভাবে কোনো প্রার্থী উপজেলা নির্বাচনে দেবে না দলটি। তাই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোনো ব্যাপার থাকছে না। তবে, স্থানীয়ভাবে বহু নেতা-কর্মী উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। তারা এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এমনটিই মনে করছেন কেন্দ্রের নেতারা।

 

ইসি সূত্র জানায়, এবারই প্রথমবারের মতো একটি জেলায় একাধিক ধাপে ভোট করার পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন। ফলে বেশি হারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের জন্য অন্য জেলার দারস্থ হতে হবে না। এতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা যাবে। মূলত, ভোটে যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটলেও যেন সহজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়া যায়, তাই এই কৌশল নিয়েছে সংস্থাটি। অতীতে বিভাগ অনুযায়ী জেলাভিত্তিক উপজেলাগুলোর নির্বাচন হয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অন্য এলাকা থেকে নিয়োগ করা হতো। এবারো কয়েক ধাপে ভোট হলেও একই এলাকাকে একাধিক ধাপে বিন্যাস করা হয়েছে।

 

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান এক নির্দেশনায় বলেছেন, কমিশন ভোটগ্রহণের তারিখের অন্যূন ১৫ দিন পূর্বে উক্ত চূড়ান্ত তালিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করবে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে যে সকল এলাকার ভোটারগণ ভোটদান করবেন সেসব এলাকার নামও চূড়ান্ত তালিকায় উল্লেখ করতে হবে; তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরও বিশেষ পরিস্থিতিতে কমিশন যে কোনো ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করতে পারবে। রিটার্নিং অফিসার প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট উপজেলার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা করবেন। সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয় এরূপ স্থানকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে না। পুরুষ ও নারী ভোটাররা যাতে পৃথকভাবে ভোট প্রদান করতে পারেন তার জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট কক্ষের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং প্রতিটি ভোটকক্ষে ভোট চিহ্ন প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থান রাখতে হবে। কোনো প্রার্থীর মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো স্থানে কোনো ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা যাবে না। প্রার্থিতা চূড়ান্তকরণের পর কোনো প্রার্থীর মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো ভোটকেন্দ্র স্থাপিত হয়ে থাকলে কমিশন তা পরিবর্তন করতে পারবে। প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের প্রতিটি ভোটকক্ষে ভোট চিহ্ন প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক গোপন কক্ষ থাকবে।
তিনি নোটিসে বলেছেন, নির্ধারিত প্রতীকের তফসিল কীভাবে প্রকাশিত হবে তা বর্ণনা করেছেন। পাশাপাশি রিটার্নিং অফিসাররা কীভাবে প্রতীক বরাদ্দ করবেন, অতিরিক্ত প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন, প্রতীক বরাদ্দের প্রত্যয়ন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের প্যানেল প্রস্তুত করা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের নীতিমালা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা প্রণয়ন, দক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের নিয়োগপত্র, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অপসারণ সংক্রান্ত নির্দেশনা নোটিসে জারি করেছে।

 

ইসি সূত্র জানায়, মে মাসে চার ধাপে দেশের ৪৮১টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করবে ইসি। আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে দেশের ১৫৩টি উপজেলা পরিষদে ভোট গ্রহণের তারিখ রেখে তফসিল দিয়েছে ইসি। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ হবে। এ ধাপে ২২ উপজেলায় ভোট হবে ইভিএমে; বাকি ১৩০টি উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করবে ইসি। ঘোষিত তাফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল, বাছাই ১৭ এপ্রিল, প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে। ১৫২টি উপজেলার মধ্যে ৯টি জেলার ২২টি উপজেলায় ভোট হবে ইভিএমে। জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, জামালপুর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, পিরোজপুর ও মানিকগঞ্জ। বাকি ১৩০টি উপজেলার ভোট হবে কাগজের ব্যালটে। প্রথম ধাপে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃৃতীয় ধাপে ১৮ মে ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রথম ধাপে ১৫৩টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি ও চতুর্থ ধাপে ৫২টি, মোট ৪৮১টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করবে কমিশন। দেশে বর্তমানে উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি। অবশিষ্টগুলোতে পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উপজেলায় গ্রহণযোগ্য ভোট নিশ্চিতে জোর ইসির

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

▶চলছে নানা প্রস্তুতি
▶ভোটকেন্দ্র নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা

 

 

 

 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আর এ নির্বাচন যেন শতভাগ গ্রহণযোগ্য হয় এ নিয়ে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন যেন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয় এ লক্ষ্যে শতভাগ অনড় থাকবে ইসি। আর এ লক্ষ্যে এরই মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল করতে একাধিক নির্দেশনা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে ইসি।

 

 

এদিকে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোতে চলছে প্রস্তুতি। যদিও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো প্রতীক দেবে না বলে জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো প্রতীক দেবে না। এতে করে একই দলের একাধিক প্রার্থী এবং বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার বিষয়টি থাকবে না। তবে, তৃণমূল পর্যায়ে দলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য মনোনীত করবেন স্থানীয় নেতারা। এর ফলে দলের সকল নেতাকর্মী ভোটের মাঠে কাজ করবে। আর এর মাধ্যমে আওয়ামী ঘরানার প্রার্থীকেই দলের পক্ষ থেকে প্রতীক ছাড়াই নির্বাচিত করে বের করে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন দলের নেতৃবৃন্দ।

 

 

এদিকে, দলটির একাধিক সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য এরই মধ্যেই তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। তারা কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের কাছে জোর তদবির চালাচ্ছে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি এখনো জানায়নি তারা নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেবে কি না! এ নিয়ে দলটির কর্মীরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলীয়ভাবে কোনো প্রার্থী উপজেলা নির্বাচনে দেবে না দলটি। তাই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোনো ব্যাপার থাকছে না। তবে, স্থানীয়ভাবে বহু নেতা-কর্মী উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। তারা এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এমনটিই মনে করছেন কেন্দ্রের নেতারা।

 

ইসি সূত্র জানায়, এবারই প্রথমবারের মতো একটি জেলায় একাধিক ধাপে ভোট করার পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন। ফলে বেশি হারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের জন্য অন্য জেলার দারস্থ হতে হবে না। এতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা যাবে। মূলত, ভোটে যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটলেও যেন সহজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়া যায়, তাই এই কৌশল নিয়েছে সংস্থাটি। অতীতে বিভাগ অনুযায়ী জেলাভিত্তিক উপজেলাগুলোর নির্বাচন হয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অন্য এলাকা থেকে নিয়োগ করা হতো। এবারো কয়েক ধাপে ভোট হলেও একই এলাকাকে একাধিক ধাপে বিন্যাস করা হয়েছে।

 

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান এক নির্দেশনায় বলেছেন, কমিশন ভোটগ্রহণের তারিখের অন্যূন ১৫ দিন পূর্বে উক্ত চূড়ান্ত তালিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করবে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে যে সকল এলাকার ভোটারগণ ভোটদান করবেন সেসব এলাকার নামও চূড়ান্ত তালিকায় উল্লেখ করতে হবে; তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরও বিশেষ পরিস্থিতিতে কমিশন যে কোনো ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করতে পারবে। রিটার্নিং অফিসার প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট উপজেলার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা করবেন। সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয় এরূপ স্থানকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে না। পুরুষ ও নারী ভোটাররা যাতে পৃথকভাবে ভোট প্রদান করতে পারেন তার জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট কক্ষের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং প্রতিটি ভোটকক্ষে ভোট চিহ্ন প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থান রাখতে হবে। কোনো প্রার্থীর মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো স্থানে কোনো ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা যাবে না। প্রার্থিতা চূড়ান্তকরণের পর কোনো প্রার্থীর মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো ভোটকেন্দ্র স্থাপিত হয়ে থাকলে কমিশন তা পরিবর্তন করতে পারবে। প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের প্রতিটি ভোটকক্ষে ভোট চিহ্ন প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক গোপন কক্ষ থাকবে।
তিনি নোটিসে বলেছেন, নির্ধারিত প্রতীকের তফসিল কীভাবে প্রকাশিত হবে তা বর্ণনা করেছেন। পাশাপাশি রিটার্নিং অফিসাররা কীভাবে প্রতীক বরাদ্দ করবেন, অতিরিক্ত প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন, প্রতীক বরাদ্দের প্রত্যয়ন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের প্যানেল প্রস্তুত করা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের নীতিমালা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা প্রণয়ন, দক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের নিয়োগপত্র, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অপসারণ সংক্রান্ত নির্দেশনা নোটিসে জারি করেছে।

 

ইসি সূত্র জানায়, মে মাসে চার ধাপে দেশের ৪৮১টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করবে ইসি। আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে দেশের ১৫৩টি উপজেলা পরিষদে ভোট গ্রহণের তারিখ রেখে তফসিল দিয়েছে ইসি। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ হবে। এ ধাপে ২২ উপজেলায় ভোট হবে ইভিএমে; বাকি ১৩০টি উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করবে ইসি। ঘোষিত তাফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল, বাছাই ১৭ এপ্রিল, প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে। ১৫২টি উপজেলার মধ্যে ৯টি জেলার ২২টি উপজেলায় ভোট হবে ইভিএমে। জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, জামালপুর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, পিরোজপুর ও মানিকগঞ্জ। বাকি ১৩০টি উপজেলার ভোট হবে কাগজের ব্যালটে। প্রথম ধাপে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃৃতীয় ধাপে ১৮ মে ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রথম ধাপে ১৫৩টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি ও চতুর্থ ধাপে ৫২টি, মোট ৪৮১টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করবে কমিশন। দেশে বর্তমানে উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি। অবশিষ্টগুলোতে পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।