০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গঙ্গাচড়ায় তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

 

 

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের গাউছিয়া এলাকায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রতিদিন ১৫-২০টি ট্রাক দিয়ে নদী থেকে বালু পরিবহণ করছে একটি চক্র। বালু উত্তোলনের ফলে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। একই সাথে নদী-তীরবর্তী বসবাসকারী মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী ভাঙনের সম্মুখিন হয়ে পড়বে। উপজেলার গাউছিয়া এলাকায় দেখা যায়, একটি চক্র নিজের ইচ্ছা মতো বালু উত্তোলন করছে। কারও যেন কিছু বলার নেই। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে একটি মহল কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এভাবে বালু উত্তোলন করলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়ে নদীর পাড় ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে প্রকৃতির ক্ষতি হচ্ছে। এলকাবাসী বলেন, গুটিকয়েক মানুষের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এভাবে সর্বনাশ মেনে নেওয়া যায় না।

 

 

 

এ ক্ষতি প্রতিরোধ করতে হবে। অবিলম্বে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হবে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বাড়িঘর ও ফসসি জমি তিস্তা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। প্রতিদিন ট্রাকে অবৈধভাবে বালু পরিবহনের কারণে রাস্তার মারাত্নক ক্ষতি হচ্ছে। নদী তীরবর্তী এলাকার জমি দিয়ে ট্রাক চলাচলের অভিযোগ রয়েছে। বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সকলেই প্রভাবশালী বলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করার সাহস পাচ্ছে না।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় জমির মালিক বলেন, কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না বালু উত্তোলন। তিস্তা নদীতে বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে খেসারত দিতে হয় নদীর তীরবর্তী জমির মালিকদের। ক্ষতি হয় ফসলি জমির। গাছপালা যায় নদীগর্ভে। গঙ্গাচড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার সাহা বলেন, বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

গঙ্গাচড়ায় তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

 

 

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের গাউছিয়া এলাকায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রতিদিন ১৫-২০টি ট্রাক দিয়ে নদী থেকে বালু পরিবহণ করছে একটি চক্র। বালু উত্তোলনের ফলে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। একই সাথে নদী-তীরবর্তী বসবাসকারী মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী ভাঙনের সম্মুখিন হয়ে পড়বে। উপজেলার গাউছিয়া এলাকায় দেখা যায়, একটি চক্র নিজের ইচ্ছা মতো বালু উত্তোলন করছে। কারও যেন কিছু বলার নেই। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে একটি মহল কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এভাবে বালু উত্তোলন করলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়ে নদীর পাড় ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে প্রকৃতির ক্ষতি হচ্ছে। এলকাবাসী বলেন, গুটিকয়েক মানুষের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এভাবে সর্বনাশ মেনে নেওয়া যায় না।

 

 

 

এ ক্ষতি প্রতিরোধ করতে হবে। অবিলম্বে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হবে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বাড়িঘর ও ফসসি জমি তিস্তা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। প্রতিদিন ট্রাকে অবৈধভাবে বালু পরিবহনের কারণে রাস্তার মারাত্নক ক্ষতি হচ্ছে। নদী তীরবর্তী এলাকার জমি দিয়ে ট্রাক চলাচলের অভিযোগ রয়েছে। বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সকলেই প্রভাবশালী বলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করার সাহস পাচ্ছে না।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় জমির মালিক বলেন, কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না বালু উত্তোলন। তিস্তা নদীতে বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে খেসারত দিতে হয় নদীর তীরবর্তী জমির মালিকদের। ক্ষতি হয় ফসলি জমির। গাছপালা যায় নদীগর্ভে। গঙ্গাচড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার সাহা বলেন, বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।