০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নারী ও নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা ববি শিক্ষার্থীদের

স্বপ্ন টানে দিলাম পাড়ি
অচিন পথে আপন ছাড়ি ।
পেছন ফেলে উঠান বাড়ি ,
প্রিয় মুখ আর স্মৃতির শাড়ি ,
মন বলে চল ফিরে আবার ,
স্বপ্ন যাবে বাড়ি আমার ।
জীবনের নানা ব্যস্ততায় যেখানেই থাকা হোক না কেন সুযোগ হলেই মন ছুটে চলে যেতে চায় আপন নীড়ে।আপন নীড় ছেড়ে যারা দূরে থাকে তারাই হয়তো এর মর্মার্থ বুঝবে।আমিও এর বাহিরে নয়।
শৈশবে বেড়ে ওঠা আপন নীড়ের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান আপন হয়ে ওঠে।বরিশাল বিশব্বিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান আমার কাছে আপন।তবুও সুযোগ হলে ছুটি চলে যেতে ইচ্ছে হয় শৈশবের সেই নীড়ে।
ছাত্র জীবনের বড় ছুটির মধ্যে রমজান ও ঈদের ছুটিতে সবাই যখন নিজ নীড়ে ছুটে যেতে ব্যস্ত ব্যাকুল,তখন আমার মন ও এর বাইরে নয়।
গতকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি। কেউ এর আগে থেকেই ছুটে গেছেন বাড়ি কেউবা যাবেন কিছুদিন পরে। টিউশনির জন্য কেউ বা যাবেন ২৫ রমজানের পরে।কিন্তুু সবার মন পড়ে আছে আপন নীড়ে যাওয়ার ধ্যানে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কিন্তু অনেকেই লেখেন—‘নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা!’ কেউ কেউ একটু বেশি মজা করতে চান। নাড়ির জায়গায় লেখেন নারী। মানে নারীর টানেই নাকি বাড়ি ফেরা! আমাদের তাতে আপত্তি কী? যাঁরা যান নাড়ির টানে যান, নারীর টানেও তো যান। প্রেমিকা, স্ত্রী, কন্যার কথা যদি ছেড়েও দিই…মা তো থাকেন সেখানে! আর থাকে মায়ের মতো মায়াময় গ্রাম, নদী, ছায়াপথ।
আমিও এর বাইরে নয় নাড়ী ও নারীর উভয়ের টানে বাড়ি ফেরা। দিনশেষে শৈশবের চেনা পরিচিত মুখ,মাঠ ঘাট এই সবেই যেন প্রশান্তি।এতে যেন এক মধুর অনুভূতি নিহিত।এ এক এমন টান যে বাকিংহাম প্যালেস কিংবা মুকেশ আম্বানির অ্যান্টালিয়ায় থাকলেও এ টান থেকে পৃথক হওয়া সম্ভব না।দিনশেষে নিজ নীড়েই শান্তি।
তাইতো কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছেন -আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে।
সুদূর বিলেতে থেকেও তিনি দেশের প্রতি মাতৃভূমির প্রতি টান অনুভব করছেন।
তাইতো বিশ্ববিদ্যালয় ছুটিতে নারী ও নাড়ীর টানে আমিও আজ ছুটে চলছি।

নারী ও নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা ববি শিক্ষার্থীদের

আপডেট সময় : ১২:২৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
স্বপ্ন টানে দিলাম পাড়ি
অচিন পথে আপন ছাড়ি ।
পেছন ফেলে উঠান বাড়ি ,
প্রিয় মুখ আর স্মৃতির শাড়ি ,
মন বলে চল ফিরে আবার ,
স্বপ্ন যাবে বাড়ি আমার ।
জীবনের নানা ব্যস্ততায় যেখানেই থাকা হোক না কেন সুযোগ হলেই মন ছুটে চলে যেতে চায় আপন নীড়ে।আপন নীড় ছেড়ে যারা দূরে থাকে তারাই হয়তো এর মর্মার্থ বুঝবে।আমিও এর বাহিরে নয়।
শৈশবে বেড়ে ওঠা আপন নীড়ের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান আপন হয়ে ওঠে।বরিশাল বিশব্বিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান আমার কাছে আপন।তবুও সুযোগ হলে ছুটি চলে যেতে ইচ্ছে হয় শৈশবের সেই নীড়ে।
ছাত্র জীবনের বড় ছুটির মধ্যে রমজান ও ঈদের ছুটিতে সবাই যখন নিজ নীড়ে ছুটে যেতে ব্যস্ত ব্যাকুল,তখন আমার মন ও এর বাইরে নয়।
গতকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি। কেউ এর আগে থেকেই ছুটে গেছেন বাড়ি কেউবা যাবেন কিছুদিন পরে। টিউশনির জন্য কেউ বা যাবেন ২৫ রমজানের পরে।কিন্তুু সবার মন পড়ে আছে আপন নীড়ে যাওয়ার ধ্যানে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কিন্তু অনেকেই লেখেন—‘নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা!’ কেউ কেউ একটু বেশি মজা করতে চান। নাড়ির জায়গায় লেখেন নারী। মানে নারীর টানেই নাকি বাড়ি ফেরা! আমাদের তাতে আপত্তি কী? যাঁরা যান নাড়ির টানে যান, নারীর টানেও তো যান। প্রেমিকা, স্ত্রী, কন্যার কথা যদি ছেড়েও দিই…মা তো থাকেন সেখানে! আর থাকে মায়ের মতো মায়াময় গ্রাম, নদী, ছায়াপথ।
আমিও এর বাইরে নয় নাড়ী ও নারীর উভয়ের টানে বাড়ি ফেরা। দিনশেষে শৈশবের চেনা পরিচিত মুখ,মাঠ ঘাট এই সবেই যেন প্রশান্তি।এতে যেন এক মধুর অনুভূতি নিহিত।এ এক এমন টান যে বাকিংহাম প্যালেস কিংবা মুকেশ আম্বানির অ্যান্টালিয়ায় থাকলেও এ টান থেকে পৃথক হওয়া সম্ভব না।দিনশেষে নিজ নীড়েই শান্তি।
তাইতো কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছেন -আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে।
সুদূর বিলেতে থেকেও তিনি দেশের প্রতি মাতৃভূমির প্রতি টান অনুভব করছেন।
তাইতো বিশ্ববিদ্যালয় ছুটিতে নারী ও নাড়ীর টানে আমিও আজ ছুটে চলছি।