ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ককে বলা হয় দেশের লাইফলাইন। এই সড়কের ১৫ কিলোমিটার অংশ দাউদকান্দি উপজেলার আওতায়। দীর্ঘ একমাস সিয়দম সাধনার পর দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।
ঈদকে ঘিরে নানা অপতৎপরতা ডাকাতি ও চুরি ছিনতাই বেড়ে যায়।
এসব পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি এবার মাঠে নেমেছেন উপজেলা প্রশাসনের আওতাধীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এমনচিত্র চোখে পড়েছে মহাসড়কের এলাকাজুড়ে। এতে সাধারণ যাত্রী, দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসের চালকদের মধ্যে একধরনের স্বস্তির নিশ্বাস লক্ষণীয়।
সোমবার (৮ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার মহাসড়ক এলাকার গৌরীপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মো. জিয়াউর রহমান দায়িত্বপালনে সচেষ্ট। দুর্ঘটনা এড়াতে তিনি পথচারীদেরকে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবাহরের পাশাপাশি বিভিন্ন পজেটিভ বার্তা দিচ্ছেন।
পাশাপাশি দূরপাল্লার পরিবহন চালকদের নির্দিষ্ট গতিসীমায় গাড়ি চালানার দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রাজধানী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এস আলম পরিবহনের এক মধ্যবয়সী যাত্রী ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রসংশা করে বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে এবারের ঈদযাত্রা আগের তুলনায় খুব নিরাপদ। “
এসময় মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনহাজ ইসলাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় সহযোগিতা করেন।
এবিষয়ে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান জানান,” মান্যবর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমানের নির্দেশে মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার ১৫ কিলোমিটার অংশে আমরা নাড়ির টানে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন করছি। মহাসড়কে যানজট ও যত্রতত্রে গাড়ি পার্কিং রোধে আমরা প্রাথমিকভাবে সতর্ক করেছি।
এতে আইন অমান্যকারীকে জেল-জরিমানার আওতায়ও আনা হচ্ছে। আমরা চাই ঈদে ঘরমুখো মানুষের সুন্দর গমন হোক। ঈদের আগমুহূর্ত পর্যন্ত মহাসড়কে যানচলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা সতর্ক অবস্থানে থাকবো। “
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. মোজাম্মেল হক পিপিএম জানান, ” ঈদযাত্রায় নানা অপরাধ ঠেকাতে মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের দায়িত্ব্যের পাশাপাশি এবার উপজেলা র মহাসড়ক এলাকার অংশে উপজেলা প্রশাসন ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের নিরাপদ যাত্রায় দায়িত্ব পালন করছে। এতে করে বিভিন্ন উপজেলার মহাসড়ক অংশে অপরাধ তৎপরতা অনেকাংশে কমে যাবে বলে আমি মনে করি। আমরা মহাসড়কে দায়িত্বে জিরোটলারেন্স নীতিতে অটল আছি।”




















