০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ডিএনএ সিকুয়েন্সিং ল্যাব উদ্বোধন 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের ফাংশনাল জিনোমিক্স এবং প্রোটিওনিক্স ল্যাবরেটরি (এফজিপিএল) অত্যাধুনিক স্যাঙ্গার সিকোয়েন্সিং মেশিন ও ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অণুজীব থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যেকোনো ডিএনএ-সৃষ্ট জীবের সিক্যুয়েন্সিং জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করা যাবে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল তিনটায় চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে ল্যাবটি উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু তাহের। এরপর জীববিজ্ঞান অনুষদের পাশে অবস্থিত গ্রিন হাউজ প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন উপাচার্য।
ডিএনএ আবিষ্কারের ৭১ বছর মাইলফলক উদযাপনসহ নতুন এই মেশিন ও ল্যাবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. সেকান্দর চৌধুরী ও জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তৌহিদ।
এছাড়া জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবি) বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. লায়লা খালেদা এবং এফজিপি ল্যাবের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকানসহ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
ল্যাবটি সম্পর্কে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান জানান, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট রূঢ় পরিবেশে চাষযোগ্য নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য একটি প্রকল্পের আওতায় স্যাঙ্গার সিকোয়েন্সিং মেশিনটি এ ল্যাবে সংযুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, স্যাঙ্গার সিক্যুয়েন্সিং মেশিনের মূল কাজ হল ডিএনএ’র নিউক্লিওটাইডগুলির ক্রম নির্ধারণ করা যাকে সহজ ভাষায় বলে ডিএনএ সিকুয়েন্সিং। এই মেশিনটি বর্তমানে বিশ্বে জীববিজ্ঞানের গবেষণায় অন্যতম শক্তিশালী সরঞ্জাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ব্যবহার করে গবেষকগণ বিভিন্ন অণুজীব থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যেকোনো ডিএনএ-সৃষ্ট জীবের সিক্যুয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিং মেশিন এবং পাশাপাশি অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ এই ল্যাব ব্যবহার করে গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন অণুজীব সনাক্তকরণ, জিনের প্রকাশ নির্ণয়, বিভিন্ন রোগের জিনগত কারণ উদঘাটন, দ্রুত এবং সর্বোচ্চ গুণগতমানসম্পন্ন রোগনির্ণয় পরীক্ষা, রোগীর জিনগত বৈশিষ্ট্য জানাপূর্বক ওষুধ ও ওষুধের ডোজ নির্ধারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ব্যবহার করা যায়।

চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ডিএনএ সিকুয়েন্সিং ল্যাব উদ্বোধন 

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের ফাংশনাল জিনোমিক্স এবং প্রোটিওনিক্স ল্যাবরেটরি (এফজিপিএল) অত্যাধুনিক স্যাঙ্গার সিকোয়েন্সিং মেশিন ও ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অণুজীব থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যেকোনো ডিএনএ-সৃষ্ট জীবের সিক্যুয়েন্সিং জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করা যাবে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল তিনটায় চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে ল্যাবটি উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু তাহের। এরপর জীববিজ্ঞান অনুষদের পাশে অবস্থিত গ্রিন হাউজ প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন উপাচার্য।
ডিএনএ আবিষ্কারের ৭১ বছর মাইলফলক উদযাপনসহ নতুন এই মেশিন ও ল্যাবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. সেকান্দর চৌধুরী ও জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তৌহিদ।
এছাড়া জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবি) বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. লায়লা খালেদা এবং এফজিপি ল্যাবের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকানসহ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
ল্যাবটি সম্পর্কে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান জানান, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট রূঢ় পরিবেশে চাষযোগ্য নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য একটি প্রকল্পের আওতায় স্যাঙ্গার সিকোয়েন্সিং মেশিনটি এ ল্যাবে সংযুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, স্যাঙ্গার সিক্যুয়েন্সিং মেশিনের মূল কাজ হল ডিএনএ’র নিউক্লিওটাইডগুলির ক্রম নির্ধারণ করা যাকে সহজ ভাষায় বলে ডিএনএ সিকুয়েন্সিং। এই মেশিনটি বর্তমানে বিশ্বে জীববিজ্ঞানের গবেষণায় অন্যতম শক্তিশালী সরঞ্জাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ব্যবহার করে গবেষকগণ বিভিন্ন অণুজীব থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যেকোনো ডিএনএ-সৃষ্ট জীবের সিক্যুয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিং মেশিন এবং পাশাপাশি অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ এই ল্যাব ব্যবহার করে গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন অণুজীব সনাক্তকরণ, জিনের প্রকাশ নির্ণয়, বিভিন্ন রোগের জিনগত কারণ উদঘাটন, দ্রুত এবং সর্বোচ্চ গুণগতমানসম্পন্ন রোগনির্ণয় পরীক্ষা, রোগীর জিনগত বৈশিষ্ট্য জানাপূর্বক ওষুধ ও ওষুধের ডোজ নির্ধারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ব্যবহার করা যায়।