০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাচনে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০

লালমনিরহাটে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শাহানা ফেরদৌসী সীমা নামের এক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।  আহতদের হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩ মে) ভোর রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে প্রচারণাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলে আনারস মার্কা প্রতিকের প্রার্থী ও কাপপ্রিচ প্রতিকের প্রার্থী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয়। পরে উভয় প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চেয়ারম্যান প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থক হাফিজুল অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহানা ফেরদৌস সীমাকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার সময় অশ্লীল মন্তব্য করেন। বিষয়টি জানতে পেরে শাহানা ফেরদৌসী সীমার স্বামী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুল আলম সাদাত প্রতিবাদ করেন। এরই প্রেক্ষিতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাহানা ফেরদৌসী সীমা তার সমর্থকদের নিয়ে মেডিকেল মোড় ত্যাগ করার সময় লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থকরা শাহানা ফিরদৌসী সীমার গাড়ির জানালার গ্লাচ ভেঙে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে শাহানা ফেরদৌসী সীমাসহ স্থানীয় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।  আহতদের হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহানা ফেরদৌসী সীমা বলেন, প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থীরা আমাকে নিয়ে বাজে এবং অশ্লীল বক্তব্য দেন। এই ঘটনায় আমি এবং আমার স্বামী তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এরপর আমার সমর্থকদের উপর কাপ প্রিচ মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লিয়াকাদ হোসেন বাচ্চুর লোকজন অতর্কিত হামলা চালালে আমি সহ আমার সমর্থক ১০ জন আহত হয়।বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এখনো পর্যন্ত উভয় পক্ষের কেউই  অভিযোগ দেয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
হাতিবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় আগামী ৮ মে ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে জয় কানাডা-ওমান ও নামিবিয়ার

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাচনে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
লালমনিরহাটে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শাহানা ফেরদৌসী সীমা নামের এক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।  আহতদের হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩ মে) ভোর রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে প্রচারণাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলে আনারস মার্কা প্রতিকের প্রার্থী ও কাপপ্রিচ প্রতিকের প্রার্থী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয়। পরে উভয় প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চেয়ারম্যান প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থক হাফিজুল অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহানা ফেরদৌস সীমাকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার সময় অশ্লীল মন্তব্য করেন। বিষয়টি জানতে পেরে শাহানা ফেরদৌসী সীমার স্বামী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুল আলম সাদাত প্রতিবাদ করেন। এরই প্রেক্ষিতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাহানা ফেরদৌসী সীমা তার সমর্থকদের নিয়ে মেডিকেল মোড় ত্যাগ করার সময় লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থকরা শাহানা ফিরদৌসী সীমার গাড়ির জানালার গ্লাচ ভেঙে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে শাহানা ফেরদৌসী সীমাসহ স্থানীয় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।  আহতদের হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহানা ফেরদৌসী সীমা বলেন, প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থীরা আমাকে নিয়ে বাজে এবং অশ্লীল বক্তব্য দেন। এই ঘটনায় আমি এবং আমার স্বামী তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এরপর আমার সমর্থকদের উপর কাপ প্রিচ মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লিয়াকাদ হোসেন বাচ্চুর লোকজন অতর্কিত হামলা চালালে আমি সহ আমার সমর্থক ১০ জন আহত হয়।বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এখনো পর্যন্ত উভয় পক্ষের কেউই  অভিযোগ দেয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
হাতিবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় আগামী ৮ মে ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।