০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ফিলিস্তিন আন্দোলনে চবির সংহতি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সোমবার (৬ মে ২০২৪) বেলা সাড়ে ১১ দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ আয়োজন করা হয় এই মানববন্ধন।
গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ রাকিব হোসেনের সভাপতিত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “ফিলিস্তিনের চলমান স্বাধীনতা আন্দোলন শুধু মুসলিমদের ইস্যু নয়, এটা গোটা মানবজাতির মানবতার ইস্যু। আজকের এই মানববন্ধনে উপস্থিত হতে পারাটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ঘটনা। সবচেয়ে বড় মূল্যবান বিষয় হলো ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিপক্ষে দাঁড়ানো।”
ফ্যাইন্যান্স বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ ইশতিয়াক হোসেন মজুমদার বলেন, “সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক বিষয় হলো ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষত স্বয়ং ইসলরাইলের সবচেয়ে বড় দোসর আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে ও ইসলরাইলের সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আন্দোলন করছে। অথচ আরবরা জাতি ভাই হয়েও আজ নির্বিকার, আরব শাসকগোষ্ঠীসহ জনগণ পর্যন্ত ভোগবিলাসের মত্ত হয়ে আছে। তাদের এই ভন্ডামী একদিন তাদের পতনের কারণ হবে, ইনশাআল্লাহ। যে জাতি একজন খ্রিষ্টান নারীর জন্য স্পেন বিজয় করতে পারে, সে জাতি আজ নিজের বোনের আর্তনাদ শুনতে পায় না।”
আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের বিভাগের শিক্ষার্থী নিয়ামতউল্লাহ ফারাবী বলেন, “আমেরিকা গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা সেজে আমাদের মানবাধিকার শেখাতে আসে অথচ খোদ তাদের ঘরেই প্রতিনিয়ত মানবতা লঙ্ঘন হচ্ছে। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আন্দোলনকারীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে অথচ মার্কিন প্রশাসন সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখতে পায় না। গত ৮ মাসের জুলুমের করাল গ্রাসে আমাদের ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি ভাই শহিদ হয়েছেন, শহিদদের কাতার আরো লম্বা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্ব বিবেক এখনও আইসিইউতে রয়ে গেছে। আমরা আজকের মানববন্ধন থেকে ইসরাইল ও তাদের দোসরদের সকল পণ্য বয়কট ঘোষণা করছি।”
মানববন্ধন থেকে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানানোর কারণে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনকে অভিনন্দন জানানো হয়। শিক্ষার্থীরা “ফ্রি প্যালেস্টাইন”, “বয়কট ইসরাইল” বলে স্লোগান দিতে দিতে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

উন্নয়নের অভিজ্ঞতা নিতে রাসিকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরগণ

মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ফিলিস্তিন আন্দোলনে চবির সংহতি

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সোমবার (৬ মে ২০২৪) বেলা সাড়ে ১১ দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ আয়োজন করা হয় এই মানববন্ধন।
গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ রাকিব হোসেনের সভাপতিত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “ফিলিস্তিনের চলমান স্বাধীনতা আন্দোলন শুধু মুসলিমদের ইস্যু নয়, এটা গোটা মানবজাতির মানবতার ইস্যু। আজকের এই মানববন্ধনে উপস্থিত হতে পারাটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ঘটনা। সবচেয়ে বড় মূল্যবান বিষয় হলো ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিপক্ষে দাঁড়ানো।”
ফ্যাইন্যান্স বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ ইশতিয়াক হোসেন মজুমদার বলেন, “সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক বিষয় হলো ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষত স্বয়ং ইসলরাইলের সবচেয়ে বড় দোসর আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে ও ইসলরাইলের সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আন্দোলন করছে। অথচ আরবরা জাতি ভাই হয়েও আজ নির্বিকার, আরব শাসকগোষ্ঠীসহ জনগণ পর্যন্ত ভোগবিলাসের মত্ত হয়ে আছে। তাদের এই ভন্ডামী একদিন তাদের পতনের কারণ হবে, ইনশাআল্লাহ। যে জাতি একজন খ্রিষ্টান নারীর জন্য স্পেন বিজয় করতে পারে, সে জাতি আজ নিজের বোনের আর্তনাদ শুনতে পায় না।”
আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের বিভাগের শিক্ষার্থী নিয়ামতউল্লাহ ফারাবী বলেন, “আমেরিকা গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা সেজে আমাদের মানবাধিকার শেখাতে আসে অথচ খোদ তাদের ঘরেই প্রতিনিয়ত মানবতা লঙ্ঘন হচ্ছে। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আন্দোলনকারীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে অথচ মার্কিন প্রশাসন সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখতে পায় না। গত ৮ মাসের জুলুমের করাল গ্রাসে আমাদের ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি ভাই শহিদ হয়েছেন, শহিদদের কাতার আরো লম্বা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্ব বিবেক এখনও আইসিইউতে রয়ে গেছে। আমরা আজকের মানববন্ধন থেকে ইসরাইল ও তাদের দোসরদের সকল পণ্য বয়কট ঘোষণা করছি।”
মানববন্ধন থেকে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানানোর কারণে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনকে অভিনন্দন জানানো হয়। শিক্ষার্থীরা “ফ্রি প্যালেস্টাইন”, “বয়কট ইসরাইল” বলে স্লোগান দিতে দিতে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।