০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাণীনগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের পরিবেশ হারাচ্ছে

 ১৯৩৭সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নওগাঁর রাণীনগরের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সঙ্গে অত্র অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে আদর্শ এই বিদ্যাপিঠটি। পরবর্তিতে নামের সঙ্গে যুক্ত হয় “মডেল সরকারি বিশেষন। কিন্তু বেশ কয়েক বছর যাবত রাজনীতির যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে চলে টানা হেঁচড়া।
বর্তমানে শিক্ষকদের দ্বন্দ্বের কারণে বিদ্যাপিঠটি ঐতিহ্য ও পাঠদানের সুনাম হারিয়ে ফেলায় দিন দিন শিক্ষার্থী হারাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি হওয়ার পর প্রশাসনের উদাসীনতা আর শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে অবশিষ্ট সকল সুনামই বিদ্যালয়টি ইতিমধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে এমন অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে স্কুলটিতে ভারপ্রাপ্ত নয় একজন যোগ্য পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষকের যোগদান করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় অভিভাবকরা।
অপরদিকে দুই দশক পর আদালতে করা মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের অনুমতি পাওয়ার পরও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব বুঝে পাচ্ছেন না বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম। নিজের বৈধতার সকল কাগজপত্রাদি ও দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের ফলাফল নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও অদৃশ্য কারণে অফিসিয়াল ভাবে অনুমতি পাচ্ছেন না শিক্ষক নজরুল ইসলাম। তবুও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে স্থানীয় সকল শ্রেণিপেশার মানুষদের সহযোগিতা নিয়ে গত এপ্রিল মাসের শেষের দিক থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন।
কিন্তু বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসের পর মাস বিষয়টি সমাধানের নামে দ্বন্দ্বকে দীর্ঘ করায় অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। এদিকে অভিভাবকসহ উপজেলার সচেতন মহল বৈধ কাগজপত্রাদি পর্যালোচনার মাধ্যমে দ্রুত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন নিয়ে জটিলতার নিরসন করে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক পাঠদান ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম বলেন, আমি ১৯৯২সালে অত্র বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। পরবর্তীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে ২০০৪সালের ২৮মার্চ প্রধান শিক্ষক হিসেবে এই বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনিত হই। এরপর যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু তৎকালীন রাজনীতির যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে একটি মামলার কারণে আমাকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়। এরপর দীর্ঘ ২০বছর আইনী লড়াই শেষে আমার পক্ষে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের জন্য রায় দেন নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত এর বিচারক। গত ফেব্রুয়ারী মাসে আমি আদালতের সেই রায়ের কপি বিভিন্ন দপ্তরে দিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোন সমাধান করছেন না সংশ্লিষ্টরা।
তিনি আরো বলেন ইতিমধ্যে আমি সকল মহলের মানুষদের সহযোগিতায় প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব বুঝে নিয়ে নিয়মিত স্কুলে আসছি। স্কুলে আমার আগমনকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়ে আমাকে নিয়মিত স্কুলে আসতে সহযোগিতা করে আসছে। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের উদাসীনতার কারণে অফিসিয়াল ভাবে আমাকে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। সকল বৈধ কাগজপত্রাদি থাকা সত্ত্বেও কেন আমাকে সভাপতি অফিসিয়াল ভাবে দায়িত্ব বুঝে দিচ্ছেন না তা আমি বুঝতে পারছি না। সভাপতির এমন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমি দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আন্দোলনে নামবো।
রাণীনগর বাজারের বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুর রাজ্জাক বলেন চোখের সামনে যখন দেখি শিক্ষক দ্বন্দ্বের বলি হয়ে প্রিয় বিদ্যাপিঠটির সুনাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তখন খুবই খারাপ লাগে। রাজনীতি আর ক্ষমতার লোভের শিকার হওয়ার কারণে আজ কোন ভালই আর বিদ্যালয়টির অবশিষ্ট নেই। বিশেষ করে সরকারি হওয়ার আগে কিছু অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়টি তার পাঠদানের ঐতিহ্য হারাতে শুরু করে। এমন অবস্থা থেকে যদি দ্রুত স্কুলটিকে উদ্ধার করা না যায় তাহলে এক সময় স্কুলটিতে শিক্ষার্থীর শূণ্যের কোঠায় চলে আসবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চাঁদ সুলতানা পারভীন বলেন, আমার বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনিই এই বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই আমার সিদ্ধান্ত। নজরুল স্যারের বিষয়ে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অফিসিয়াল ভাবে যে আদেশ আসবে সেটা পালন করা হবে।  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন নজরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের একজন বৈধ শিক্ষক। বিদ্যালয়ে নজরুল ইসলামকে যোগদান না করার পেছনে কোন যুক্তি দেখছি না। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাইলেই এমন সমস্যা দ্রুতই সমাধান করতে পারেন।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে তাবাসসুম মোবাইল ফোনে বলেন, গত ফেব্রুয়ারী মাসে নজরুল ইসলামের কাছ থেকে পাওয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে সকল কাগজপ্রত্রাদির যৌক্তিকতা যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর তদন্তের জন্যও পাঠানো হয়েছে। যাচাই ও তদন্ত শেষে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এছাড়া যেহেতু বিদ্যালয়টি সরকারি তাই সিদ্ধান্তের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। সকল কিছু হাতে পাওয়ার পর পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে রাশিয়ান বিনিয়োগের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

রাণীনগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের পরিবেশ হারাচ্ছে

আপডেট সময় : ০৫:২৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
 ১৯৩৭সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নওগাঁর রাণীনগরের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সঙ্গে অত্র অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে আদর্শ এই বিদ্যাপিঠটি। পরবর্তিতে নামের সঙ্গে যুক্ত হয় “মডেল সরকারি বিশেষন। কিন্তু বেশ কয়েক বছর যাবত রাজনীতির যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে চলে টানা হেঁচড়া।
বর্তমানে শিক্ষকদের দ্বন্দ্বের কারণে বিদ্যাপিঠটি ঐতিহ্য ও পাঠদানের সুনাম হারিয়ে ফেলায় দিন দিন শিক্ষার্থী হারাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি হওয়ার পর প্রশাসনের উদাসীনতা আর শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে অবশিষ্ট সকল সুনামই বিদ্যালয়টি ইতিমধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে এমন অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে স্কুলটিতে ভারপ্রাপ্ত নয় একজন যোগ্য পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষকের যোগদান করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় অভিভাবকরা।
অপরদিকে দুই দশক পর আদালতে করা মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের অনুমতি পাওয়ার পরও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব বুঝে পাচ্ছেন না বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম। নিজের বৈধতার সকল কাগজপত্রাদি ও দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের ফলাফল নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও অদৃশ্য কারণে অফিসিয়াল ভাবে অনুমতি পাচ্ছেন না শিক্ষক নজরুল ইসলাম। তবুও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে স্থানীয় সকল শ্রেণিপেশার মানুষদের সহযোগিতা নিয়ে গত এপ্রিল মাসের শেষের দিক থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন।
কিন্তু বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসের পর মাস বিষয়টি সমাধানের নামে দ্বন্দ্বকে দীর্ঘ করায় অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। এদিকে অভিভাবকসহ উপজেলার সচেতন মহল বৈধ কাগজপত্রাদি পর্যালোচনার মাধ্যমে দ্রুত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন নিয়ে জটিলতার নিরসন করে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক পাঠদান ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম বলেন, আমি ১৯৯২সালে অত্র বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। পরবর্তীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে ২০০৪সালের ২৮মার্চ প্রধান শিক্ষক হিসেবে এই বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনিত হই। এরপর যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু তৎকালীন রাজনীতির যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে একটি মামলার কারণে আমাকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়। এরপর দীর্ঘ ২০বছর আইনী লড়াই শেষে আমার পক্ষে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের জন্য রায় দেন নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত এর বিচারক। গত ফেব্রুয়ারী মাসে আমি আদালতের সেই রায়ের কপি বিভিন্ন দপ্তরে দিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোন সমাধান করছেন না সংশ্লিষ্টরা।
তিনি আরো বলেন ইতিমধ্যে আমি সকল মহলের মানুষদের সহযোগিতায় প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব বুঝে নিয়ে নিয়মিত স্কুলে আসছি। স্কুলে আমার আগমনকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়ে আমাকে নিয়মিত স্কুলে আসতে সহযোগিতা করে আসছে। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের উদাসীনতার কারণে অফিসিয়াল ভাবে আমাকে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। সকল বৈধ কাগজপত্রাদি থাকা সত্ত্বেও কেন আমাকে সভাপতি অফিসিয়াল ভাবে দায়িত্ব বুঝে দিচ্ছেন না তা আমি বুঝতে পারছি না। সভাপতির এমন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমি দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আন্দোলনে নামবো।
রাণীনগর বাজারের বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুর রাজ্জাক বলেন চোখের সামনে যখন দেখি শিক্ষক দ্বন্দ্বের বলি হয়ে প্রিয় বিদ্যাপিঠটির সুনাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তখন খুবই খারাপ লাগে। রাজনীতি আর ক্ষমতার লোভের শিকার হওয়ার কারণে আজ কোন ভালই আর বিদ্যালয়টির অবশিষ্ট নেই। বিশেষ করে সরকারি হওয়ার আগে কিছু অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়টি তার পাঠদানের ঐতিহ্য হারাতে শুরু করে। এমন অবস্থা থেকে যদি দ্রুত স্কুলটিকে উদ্ধার করা না যায় তাহলে এক সময় স্কুলটিতে শিক্ষার্থীর শূণ্যের কোঠায় চলে আসবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চাঁদ সুলতানা পারভীন বলেন, আমার বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনিই এই বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই আমার সিদ্ধান্ত। নজরুল স্যারের বিষয়ে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অফিসিয়াল ভাবে যে আদেশ আসবে সেটা পালন করা হবে।  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন নজরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের একজন বৈধ শিক্ষক। বিদ্যালয়ে নজরুল ইসলামকে যোগদান না করার পেছনে কোন যুক্তি দেখছি না। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাইলেই এমন সমস্যা দ্রুতই সমাধান করতে পারেন।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে তাবাসসুম মোবাইল ফোনে বলেন, গত ফেব্রুয়ারী মাসে নজরুল ইসলামের কাছ থেকে পাওয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে সকল কাগজপ্রত্রাদির যৌক্তিকতা যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর তদন্তের জন্যও পাঠানো হয়েছে। যাচাই ও তদন্ত শেষে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এছাড়া যেহেতু বিদ্যালয়টি সরকারি তাই সিদ্ধান্তের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। সকল কিছু হাতে পাওয়ার পর পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।